🌹সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস প্রশ্নোত্তর::অধ্যায়-২:ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের কয়েকটি ধারা: খ্রিষ্টীয় সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতক।।🌹

️বিকল্পধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):

🔷 ১. ‘বঙ্গ’ নামটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় কোন গ্রন্থে?

(a) মহাভারত (b) অর্থশাস্ত্র (c) ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যক (d) রঘুবংশম্।
✅ উত্তর: (c) ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যক।

🔷 ২. কালিদাসের কোন কাব্যে ‘বঙ্গ’ ও ‘সুহ্ম’ নাম দুটির উল্লেখ পাওয়া যায়?
(a) মেঘদূত (b) রঘুবংশম্ (c) শকুন্তলা (d) কুমারসম্ভব।
✅ উত্তর: (b) রঘুবংশম্।

🔷 ৩. ‘আইন-ই-আকবরি’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
(a) মিনহাজ ই-সিরাজ (b) বাবর (c) আবুল ফজল (d) আকবর।
✅ উত্তর: (c) আবুল ফজল।

🔷 ৪. ‘সুবা’ কথাটির অর্থ কী?
(a) প্রদেশ বা রাজ্য (b) গ্রাম (c) রাজধানী (d) জেলা।
✅ উত্তর: (a) প্রদেশ বা রাজ্য।

🔷 ৫. প্রাচীন বাংলার বৃহত্তম ভৌগোলিক বিভাগ কোনটি ছিল?
(a) রাঢ় (b) সমতট (c) পুণ্ড্রবর্ধন (d) হরিকেল।
✅ উত্তর: (c) পুণ্ড্রবর্ধন।

🔷 ৬. ভাগীরথী ও করতোয়া নদীর মধ্যবর্তী এলাকা কী নামে পরিচিত ছিল?
(a) বঙ্গ (b) বরেন্দ্র (c) সমতট (d) গৌড়।
✅ উত্তর: (b) বরেন্দ্র।

🔷 ৭. পদ্মা ও ভাগীরথীর মাঝের ব-দ্বীপ এলাকাকে কী বলা হতো?
(a) বঙ্গ (b) গৌড় (c) হরিকেল (d) সমতট।
✅ উত্তর: (a) বঙ্গ।

🔷 ৮. রাঢ় অঞ্চলের উত্তর ভাগের নাম কী ছিল?
(a) সুব্বভূমি (b) বজ্রভূমি (c) সমতট (d) পুণ্ড্র।
✅ উত্তর: (b) বজ্রভূমি।

🔷 ৯. মুর্শিদাবাদ-বীরভূম-বর্ধমানের পশ্চিমাংশ নিয়ে কী তৈরি হয়েছিল?
(a) বঙ্গ (b) হরিকেল (c) গৌড় (d) বরেন্দ্র।
✅ উত্তর: (c) গৌড়।

🔷 ১০. শশাঙ্কের রাজত্বকাল কত?
(a) ৫৯০–৬১০ (b) ৬০৬–৬৩৭ (c) ৬৫০–৬৯০ (d) ৭০০–৭৫০।
✅ উত্তর: (b) ৬০৬–৬৩৭।

🔷 ১১. শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
(a) নদীয়া (b) পান্ডুয়া (c) কর্ণসুবর্ণ (d) লক্ষ্মণাবতী।
✅ উত্তর: (c) কর্ণসুবর্ণ।

🔷 ১২. শশাঙ্কের মৃত্যুর পর পরিস্থিতিকে কী বলা হয়?
(a) মাৎস্যন্যায় (b) গৃহযুদ্ধ (c) বিপ্লব (d) বিদ্রোহ।
✅ উত্তর: (a) মাৎস্যন্যায়।

🔷 ১৩. পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
(a) ধর্মপাল (b) গোপাল (c) দেবপাল (d) মহীপাল।
✅ উত্তর: (b) গোপাল।

🔷 ১৪. পাল রাজাদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
(a) সমতট (b) হরিকেল (c) বরেন্দ্র (d) তাম্রলিপ্ত।
✅ উত্তর: (c) বরেন্দ্র।

🔷 ১৫. ত্রিপাক্ষিক সংগ্রামে পালদের প্রতিদ্বন্দ্বী কারা?
(a) চোল-পল্লব (b) গুর্জর-প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট (c) মুঘল-তুর্কি (d) সেন-কামরূপ।
✅ উত্তর: (b) গুর্জর-প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট।

🔷 ১৬. একাদশ শতকে কোন বিদ্রোহ হয়েছিল?
(a) কৃষক (b) সিপাই (c) কৈবর্ত (d) সাঁওতাল।
✅ উত্তর: (c) কৈবর্ত বিদ্রোহ।

🔷 ১৭. কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে?
(a) রামপাল (b) দিব্য (c) বিজয়সেন (d) ধর্মপাল।
✅ উত্তর: (b) দিব্য।

🔷 ১৮. ‘রামচরিত’ কাব্যের রচয়িতা কে?
(a) কালিদাস (b) বাণভট্ট (c) সন্ধ্যাকর নন্দী (d) জয়দেব।
✅ উত্তর: (c) সন্ধ্যাকর নন্দী।

🔷 ১৯. সেন রাজাদের আদি বাসস্থান কোথায়?
(a) উত্তর ভারত (b) কর্ণাট অঞ্চল (c) রাঢ় (d) তিব্বত।
✅ উত্তর: (b) কর্ণাট অঞ্চল।

🔷 ২০. সেনদের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজা কে?
(a) সামন্তসেন (b) হেমন্তসেন (c) বিজয়সেন (d) লক্ষ্মণসেন।
✅ উত্তর: (c) বিজয়সেন।

🔷 ২১. বল্লালসেন কোন আচার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

(a) বৌদ্ধ আচার (b) রক্ষণশীল গৌড়ীয় ব্রাহ্মণ আচার (c) ইসলামিক আচার (d) জৈন আচার।
✅ উত্তর: (b) রক্ষণশীল গৌড়ীয় ব্রাহ্মণ আচার।

🔷 ২২. বখতিয়ার খলজি কত খ্রিস্টাব্দে নদীয়া দখল করেন?
(a) ১১৯২ (b) ১২০৬ (c) ১২০৪/৫ (d) ১২১০।
✅ উত্তর: (c) ১২০৪/৫।

🔷 ২৩. লক্ষ্মণসেনের রাজধানী কোথায় ছিল?
(a) কর্ণসুবর্ণ (b) গৌড় (c) বিক্রমপুর (d) নদীয়া।
✅ উত্তর: (c) বিক্রমপুর।

🔷 ২৪. চোল রাজ্য কোন নদীকে ঘিরে গড়ে ওঠে?
(a) গঙ্গা (b) যমুনা (c) কাবেরী (d) কৃষ্ণা।
✅ উত্তর: (c) কাবেরী।

🔷 ২৫. চোল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
(a) প্রথম রাজরাজ (b) বিজয়ালয় (c) প্রথম রাজেন্দ্র (d) কুলোত্তুঙ্গ।
✅ উত্তর: (b) বিজয়ালয়।

🔷 ২৬. ‘গঙ্গাইকোণ্ডচোল’ উপাধি কে নেন?
(a) শশাঙ্ক (b) ধর্মপাল (c) প্রথম রাজেন্দ্র (d) বিজয়ালয়।
✅ উত্তর: (c) প্রথম রাজেন্দ্র।

🔷 ২৭. আরবের যাযাবর মানুষদের কী বলা হতো?
(a) খলিফা (b) বেদুইন (c) সুফি (d) সেনানী।
✅ উত্তর: (b) বেদুইন।

🔷 ২৮. হযরত মহম্মদের জন্ম কত সালে?
(a) ৬১০ (b) ৫৭০ (c) ৬২২ (d) ৬৩২।
✅ উত্তর: (b) ৫৭০।

🔷 ২৯. হিজরত কত সালে হয়েছিল?
(a) ৫৭০ (b) ৬১০ (c) ৬২২ (d) ৬৩২।
✅ উত্তর: (c) ৬২২।

🔷 ৩০. হিজরি সাল গণনা শুরু হয় কোন ঘটনা থেকে?
(a) মক্কা থেকে মদীনায় গমন (b) জন্ম (c) ইসলাম প্রচার (d) মৃত্যু।
✅ উত্তর: (a) মক্কা থেকে মদীনায় গমন।

🔷 ৩১. ‘খলিফা’ শব্দের অর্থ কী?
(a) রাজা (b) প্রতিনিধি/উত্তরাধিকারী (c) সেনাপতি (d) ধর্মগুরু।
✅ উত্তর: (b) প্রতিনিধি/উত্তরাধিকারী।

🔷 ৩২. আরবরা সিন্ধু আক্রমণ করে কত সালে?
(a) ৫৭০ (b) ৬২২ (c) ৭১২ (d) ১০০০।
✅ উত্তর: (c) ৭১২।

🔷 ৩৩. সুলতান মাহমুদ কতবার ভারত আক্রমণ করেন?
(a) ৫ (b) ১০ (c) ১৭ (d) ২০।
✅ উত্তর: (c) ১৭।

🔷 ৩৪. মাহমুদের আক্রমণের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
(a) রাজ্য বিস্তার (b) মন্দির লুণ্ঠন (c) ধর্ম প্রচার (d) বন্ধুত্ব।
✅ উত্তর: (b) মন্দির লুণ্ঠন।

🔷 ৩৫. ‘কিতাব অল-হিন্দ’ কে লেখেন?
(a) ফিরদৌসি (b) মিনহাজ (c) অল বিরুনি (d) আবুল ফজল।
✅ উত্তর: (c) অল বিরুনি।

🔷 ৩৬. ‘শাহনামা’ কার লেখা?
(a) ফিরদৌসি (b) অল বিরুনি (c) আমির খসরু (d) ইবন বতুতা।
✅ উত্তর: (a) ফিরদৌসি।

🔷 ৩৭. তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কবে হয়?
(a) ১১৯১ (b) ১১৯২ (c) ১২০৬ (d) ১২০৪।
✅ উত্তর: (b) ১১৯২।

🔷 ৩৮. তরাইনের যুদ্ধে ঘুরি কাকে হারান?
(a) বিজয়সেন (b) লক্ষ্মণসেন (c) পৃথ্বীরাজ চৌহান (d) জয়চন্দ্র।
✅ উত্তর: (c) পৃথ্বীরাজ চৌহান।

🔷 ৩৯. বাংলায় তুর্কি অভিযানের নায়ক কে?
(a) ঘুরি (b) বখতিয়ার খলজি (c) আইবক (d) মাহমুদ।
✅ উত্তর: (b) বখতিয়ার খলজি।

🔷 ৪০. বখতিয়ার প্রথম কোন শহর জয় করেন?
(a) গৌড় (b) নদীয়া (c) পান্ডুয়া (d) বিক্রমপুর।
✅ উত্তর: (b) নদীয়া।

🔷 ৪১. রাজধানী কোথায় স্থাপন করেন?
(a) মুর্শিদাবাদ (b) লখনৌতি (c) ঢাকা (d) মালদহ।
✅ উত্তর: (b) লখনৌতি।

🔷 ৪২. লখনৌতিতে কী নির্মাণ করেন?
(a) দুর্গ (b) মসজিদ-মাদ্রাসা (c) মন্দির (d) পাঠাগার।
✅ উত্তর: (b) মসজিদ-মাদ্রাসা।

🔷 ৪৩. ‘মাৎস্যন্যায়’ মানে কী?
(a) অরাজকতা (b) খাদ্যাভাব (c) জলাভাব (d) সৈন্যাভাব।
✅ উত্তর: (a) অরাজকতা।

🔷 ৪৪. গোপালকে কে নির্বাচন করে?
(a) মুঘল (b) প্রভাবশালী লোকেরা (c) কৃষক (d) তুর্কি।
✅ উত্তর: (b) প্রভাবশালী লোকেরা।

🔷 ৪৫. কৌটিল্যের কোন গ্রন্থে বঙ্গের নাম আছে?
(a) ইন্ডিকা (b) অর্থশাস্ত্র (c) হর্ষচরিত (d) রঘুবংশ।
✅ উত্তর: (b) অর্থশাস্ত্র।

🔷 ৪৬. শশাঙ্ক কোন দেবতার উপাসক?
(a) বিষ্ণু (b) শিব (c) বুদ্ধ (d) গণেশ।
✅ উত্তর: (b) শিব।

🔷 ৪৭. হর্ষবর্ধনের সভাকবি কে?
(a) নন্দী (b) বাণভট্ট (c) কালিদাস (d) বিরুনি।
✅ উত্তর: (b) বাণভট্ট।

🔷 ৪৮. পারসিক চক্র ব্যবহৃত হতো কী কাজে?
(a) যুদ্ধ (b) জল তোলা (c) তাঁত (d) নির্মাণ।
✅ উত্তর: (b) জল তোলা।

🔷 ৪৯. আরবের চার সঙ্গীকে কী বলা হয়?
(a) সুলতান (b) খলিফা (c) রাজা (d) সেনাপতি।
✅ উত্তর: (b) খলিফা।

🔷 ৫০. সুলতানি-মুঘল যুগের শিল্পের প্রধান বিষয় কী?
(a) সাধারণ জীবন (b) শাসকদের গুণগান (c) প্রকৃতি (d) পশু-পাখি।
✅ উত্তর: (b) শাসকদের গুণগান।

️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(প্রশ্নের মান-১):

১. ‘বঙ্গ’ নামটির প্রথম উল্লেখ কোন প্রাচীন গ্রন্থে পাওয়া যায়?

উত্তর: ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যক-এ।

২. ‘আইন-ই-আকবরি’ গ্রন্থে ‘সুবা বাংলা’ কে বলেছেন?
উত্তর: আবুল ফজল।

৩. প্রাচীন বাংলার বৃহত্তম ভৌগোলিক বিভাগ কোনটি ছিল?
উত্তর: পুণ্ড্রবর্ধন।

৪. ভাগীরথী ও করোতোয়া নদীর মাঝের অঞ্চল কী নামে পরিচিত ছিল?
উত্তর: বরেন্দ্র।

৫. উত্তর রাঢ়-এর জৈন নাম কী ছিল?
উত্তর: বজ্রভূমি।

৬. মুর্শিদাবাদ-বীরভূম-বর্ধমানের পশ্চিমাংশ নিয়ে কোন অঞ্চল গঠিত হয়েছিল?
উত্তর: গৌড়।

৭. গৌড়ের প্রথম স্বাধীন শক্তিশালী রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: শশাঙ্ক।

৮. শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: কর্ণসুবর্ণ।

৯. শশাঙ্ক কোন দেবতার উপাসক ছিলেন?
উত্তর: শিব।

১০. শশাঙ্কের মৃত্যুর পর অরাজক যুগকে কী বলা হয়?
উত্তর: মাৎস্যন্যায়।

১১. পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: গোপাল।

১২. পাল-প্রতিহার-রাষ্ট্রকূট যুদ্ধকে কী বলা হয়?
উত্তর: ত্রিপাক্ষিক সংগ্রাম।

১৩. বরেন্দ্রে কোন বিদ্রোহ হয়েছিল?
উত্তর: কৈবর্ত বিদ্রোহ।

১৪. কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতারা কারা?
উত্তর: দিব্য, রুদোক ও ভীম।

১৫. ‘রামচরিত’ কাব্যের রচয়িতা কে?
উত্তর: সন্ধ্যাকর নন্দী।

১৬. সেন রাজাদের আদি বাসস্থান কোথায়?
উত্তর: কর্ণাট অঞ্চল।

১৭. সেনদের প্রথম উল্লেখযোগ্য রাজা কে?
উত্তর: বিজয়সেন।

১৮. বল্লালসেন কোন আচার প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: রক্ষণশীল গৌড়ীয় ব্রাহ্মণ আচার।

১৯. তুর্কি আক্রমণের নেতা কে ছিলেন?
উত্তর: বখতিয়ার খলজি।

২০. কাবেরী নদীকে ঘিরে কোন রাজ্য গড়ে ওঠে?
উত্তর: চোল রাজ্য।

২১. চোল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
উত্তর: বিজয়ালয়।

২২. ‘গঙ্গাইকোণ্ডচোল’ উপাধি কে নেন?
উত্তর: প্রথম রাজেন্দ্র।

২৩. হযরত মহম্মদের জন্ম কবে?
উত্তর: ৫৭০ খ্রিস্টাব্দ।

২৪. মক্কা থেকে মদীনায় গমনকে কী বলা হয়?
উত্তর: হিজরত।

২৫. মহম্মদ বিন কাশিম সিন্ধু জয় করেন কবে?
উত্তর: ৭১২ খ্রিস্টাব্দ।

২৬. মাহমুদ লুঠের ধন কী কাজে ব্যয় করেন?
উত্তর: গজনি সাজানো ও জনকল্যাণে।

২৭. ‘কিতাব অল-হিন্দ’ কে লেখেন?
উত্তর: অল বিরুনি।

২৮. তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কার মধ্যে হয়?
উত্তর: মহম্মদ ঘুরি ও পৃথ্বীরাজ চৌহান।

২৯. বখতিয়ার কবে নদীয়া দখল করেন?
উত্তর: ১২০৪–১২০৫ খ্রিস্টাব্দ।

৩০. বখতিয়ারের রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: লখনৌতি।

️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(প্রশ্নের মান-২):

🌹 ১. ‘বঙ্গ’ নামের প্রাচীনতম উল্লেখ কোথায় পাওয়া যায় এবং প্রাচীন বাংলার সীমানা প্রধানত কোন নদীগুলি দিয়ে তৈরি হয়েছিল?

উত্তর: 👉 ‘বঙ্গ’ নামটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ঋকবেদের ঐতরেয় আরণ্যক নামক গ্রন্থে।

👉 প্রাচীন বাংলার সীমানা মূলত ভাগীরথী, পদ্মা ও মেঘনা—এই তিনটি নদী দিয়ে তৈরি হয়েছিল।


🌹 ২. রাজা শশাঙ্কের রাজধানী কোথায় অবস্থিত ছিল এবং হর্ষবর্ধন কোন উপাধি নিয়ে তাঁকে হারাতে চেষ্টা করেছিলেন?
উত্তর: 👉 রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল মুর্শিদাবাদ জেলার চিরুটির কাছে কর্ণসুবর্ণ নামক স্থানে।

👉 হর্ষবর্ধন ‘সকলোত্তরপথনাথ’ উপাধি গ্রহণ করলেও শশাঙ্ককে পুরোপুরি হারাতে পারেননি।


🌹 ৩. বাংলার ইতিহাসে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে এবং এই অরাজকতা দূর করতে কে পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: 👉 মাৎস্যন্যায় বলতে শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী একশো বছরের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে।

👉 এই বিশৃঙ্খলা দূর করতে বাংলার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মিলে গোপালকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করেন।


🌹 ৪. ‘ত্রিপাক্ষিক সংগ্রাম’ কোন শহরটি দখলের জন্য হয়েছিল এবং এতে অংশগ্রহণকারী তিনটি বংশের নাম কী?
উত্তর: 👉 ত্রিপাক্ষিক সংগ্রাম উত্তর ভারতের সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী কেন্দ্র কনৌজ শহরটি দখলের লক্ষ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলেছিল।

👉 এই লড়াইয়ে বাংলার পাল, পশ্চিম ভারতের প্রতিহার এবং দাক্ষিণাত্যের রাষ্ট্রকূট রাজবংশ লিপ্ত ছিল।


🌹 ৫. কৈবর্ত বিদ্রোহের তিনজন প্রধান নেতার নাম কী এবং কোন কাব্য থেকে এই বিদ্রোহের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়?
উত্তর: 👉 কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রধান তিনজন নেতা ছিলেন দিব্য (বা দিব্যোক), রুদোক এবং ভীম

👉 কবি সন্ধ্যাকর নন্দীর লেখা ‘রামচরিত’ কাব্য থেকে এই বিদ্রোহের বিস্তারিত ঘটনা জানা যায়।


🌹 ৬. সেন রাজাদের আদি বাসস্থান ভারতের কোন অঞ্চলে ছিল এবং চোল রাজা প্রথম রাজেন্দ্র কেন ‘গঙ্গাইকোণ্ডচোল’ উপাধি নেন?
উত্তর: 👉 সেন রাজাদের আদি বাসস্থান ছিল দক্ষিণ ভারতের কর্ণাট অঞ্চল বা মহীশূর ও তার সংলগ্ন এলাকা।

👉 রাজা প্রথম রাজেন্দ্র গঙ্গা নদীর তীরবর্তী অঞ্চলগুলি জয়ের স্মৃতিরক্ষায় ‘গঙ্গাইকোণ্ডচোল’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।


🌹 ৭. হযরত মহম্মদ কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং ‘হিজরত’ বলতে কোন বিশেষ ঘটনাকে বোঝায়?
উত্তর: 👉 হযরত মহম্মদ ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কা শহরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

👉 ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মহম্মদ ও তাঁর অনুগামীদের মক্কা থেকে মদিনায় চলে আসার ঘটনাকে ‘হিজরত’ বলা হয়।


🌹 ৮. সুলতান মাহমুদ মোট কতবার ভারত আক্রমণ করেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গী পণ্ডিত অল বিরুনি কোন গ্রন্থ লিখেছিলেন?
উত্তর: 👉 গজনির সুলতান মাহমুদ আনুমানিক ১০০০ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মোট সতেরোবার ভারত আক্রমণ করেন।

👉 তাঁর ভারত সফরের সঙ্গী বিখ্যাত পণ্ডিত অল বিরুনি ‘কিতাব অল-হিন্দ’ নামক গ্রন্থটি লিখেছিলেন।


🌹 ৯. তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে কাদের মধ্যে হয়েছিল এবং কে দিল্লিতে সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
উত্তর: 👉 ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে মহম্মদ ঘুরি রাজপুত রাজা তৃতীয় পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করেন।

👉 মহম্মদ ঘুরির অন্যতম সহযোগী কুতুবউদ্দিন আইবক পরবর্তীকালে দিল্লিতে সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।


🌹 ১০. বখতিয়ার খলজি কার রাজত্বকালে বাংলা আক্রমণ করেন এবং নদীয়া জয়ের পর তিনি কোথায় রাজধানী স্থাপন করেন?
উত্তর: 👉 বখতিয়ার খলজি সেন রাজা লক্ষণসেনের রাজত্বকালে আনুমানিক ১২০৪–০৫ খ্রিস্টাব্দে বাংলা আক্রমণ করেছিলেন।

👉 নদীয়া জয়ের পর তিনি প্রশাসনিক সুবিধার জন্য লখনৌতি অধিকার করেন এবং সেখানে নিজের রাজধানী স্থাপন করেন।

️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর(প্রশ্নের মান-৩):

🌹১.শশাঙ্কের আমলে বাংলার আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল তা ভেবে লেখো।

উত্তর: শশাঙ্কের আমলে বাংলায় সোনার মুদ্রার প্রচলন ছিল, কিন্তু তার মান আগেকার মুদ্রার চেয়ে কমে গিয়েছিল। মুদ্রায় সোনার পরিমাণ কমে আসায় এবং বাণিজ্যে মন্দা দেখা দেওয়ায় অর্থনীতি ক্রমশ কৃষিনির্ভর হয়ে পড়েছিল। সমাজে জমির চাহিদা ও গুরুত্ব বাড়তে থাকে।

🌹২.মাৎস্যন্যায় কী?
উত্তর: শশাঙ্কের মৃত্যুর পর খ্রিস্টীয় সপ্তম শতকের মধ্যভাগ থেকে অষ্টম শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত বাংলায় কোনো স্থায়ী কেন্দ্রীয় শাসক ছিল না। এই অরাজক সময়ে শক্তিশালী লোকেরা দুর্বলদের ওপর যে অত্যাচার করত, তাকেই পুকুরের বড় মাছের ছোট মাছকে খেয়ে ফেলার সঙ্গে তুলনা করে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। অরাজকতা প্রায় একশো বছর ধরে চলেছিল।

🌹৩.খ্রিস্টীয় সপ্তম ও অষ্টম শতকের আঞ্চলিক রাজ্যগুলি কেমন ভাবে গড়ে উঠেছিল?
উত্তর: এই সময়ে বড় বড় জমির মালিক বা যোদ্ধানায়করা (সামন্ত বা মহাসামন্ত) নিজেদের অঞ্চলে স্বাধীনভাবে শাসন করতে শুরু করেছিলেন। কখনও তারা দুর্বল রাজাকে সরিয়ে নিজেরা সিংহাসন দখল করতেন। যেমন দাক্ষিণাত্যের রাষ্ট্রকূটরা চালুক্যদের সরিয়ে স্বাধীন রাজা হয়ে বসেন। এই প্রক্রিয়ায় আঞ্চলিক রাজ্যগুলো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

🌹৪.সেন রাজাদের আদি নিবাস কোথায় ছিল? কীভাবে তাঁরা বাংলায় শাসন কায়েম করেছিলেন?
উত্তর: সেন রাজাদের আদি নিবাস ছিল দক্ষিণ ভারতের কর্ণাট অঞ্চল (মহীশূর ও তার আশপাশ)। সামন্ত সেনের পর হেমন্ত সেন রাঢ় অঞ্চলে আধিপত্য তৈরি করেন। তাঁর ছেলে বিজয়সেন রাঢ়, গৌড়, পূর্ব বঙ্গ ও মিথিলা জয় করে বাংলায় সেন শাসন শক্তিশালী করেন। এভাবেই বাংলায় সেন শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।

🌹৫.সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে লুণ্ঠিত ধনসম্পদ কীভাবে ব্যবহার করেছিলেন?
উত্তর: সুলতান মাহমুদ ভারত থেকে লুণ্ঠিত সম্পদ দিয়ে তাঁর রাজধানী গজনিকে সুন্দরভাবে সাজিয়েছিলেন। তিনি সেখানে প্রাসাদ, মসজিদ, গ্রন্থাগার, জলাধার এবং বড় বড় খাল নির্মাণ করেন। এছাড়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে সেখানে শিক্ষকদের বেতন ও ছাত্রদের বৃত্তির ব্যবস্থা করেছিলেন। ধনসম্পদ জনগণের কল্যাণ এবং রাজধানীর সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ব্যবহার করা হয়েছিল।


🌹৬.ইখতিয়ারউদ্দিন মহম্মদ বখতিয়ার খলজির বাংলা আক্রমণের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।
উত্তর: আনুমানিক ১২০৪-০৫ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি সেনাপতি বখতিয়ার খলজি এক অতর্কিত অভিযানের মাধ্যমে বাংলার নদীয়া শহর জয় করেন।সেই সময় বাংলার বৃদ্ধ রাজা লক্ষ্মণসেন কোনো প্রতিরোধ না করে পূর্ববঙ্গের দিকে চলে যান এবং বাংলায় সেন শাসনের কার্যত অবসান ঘটে।নদীয়া জয়ের পর বখতিয়ার লখনৌতি অধিকার করেন এবং সেখানে নিজের রাজধানী স্থাপন করে তুর্কি শাসনের ভিত্তি মজবুত করেন।
তিনি এই নতুন রাজ্যে মসজিদ, মাদ্রাসা এবং সুফি সাধকদের আস্তানা তৈরি করে ইসলামি সংস্কৃতির বিস্তার ঘটিয়েছিলেন।


🌹৭.কৈবর্ত্য বিদ্রোহ সম্পর্কে টীকা লেখো।

উত্তর: একাদশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে বাংলার বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ ঘটে।
বিদ্রোহের প্রধান তিনজন নেতা ছিলেন পাল রাষ্ট্রের কর্মচারী দিব্য (বা দিব্যোক), রুদোক এবং ভীম
দ্বিতীয় মহীপাল নিহত হলে দিব্য বরেন্দ্রভূমি দখল করে সেখানে রাজা হিসেবে বসেন।
পরবর্তীকালে পাল রাজা রামপাল বিভিন্ন সামন্ত-নায়কদের সাহায্যে ভীমকে পরাজিত ও হত্যা করে বরেন্দ্র পুনরায় দখল করেন, যা সন্ধ্যাকর নন্দীর ‘রামচরিত’ কাব্যে বর্ণিত।


🌹৮.কর্ণসুবর্ণ সম্পর্কে সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: প্রাচীন বাংলার গৌড়রাজ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ, যা বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলার চিরুটির কাছে রাজবাড়িডাঙ্গায় অবস্থিত।
এখানকার রক্তমৃত্তিকা বা রাঙামাটি বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ থেকে বোঝা যায় যে এটি একটি সমৃদ্ধ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল।চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ নগরীর জনবহুল অবস্থা এবং মানুষের শিক্ষা-দীক্ষার প্রতি অনুরাগের কথা উল্লেখ করেছেন।এখানে বৌদ্ধ ও শৈব উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করত এবং এটি তৎকালীন বাংলার সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র ছিল।


🌹৯.খলিফা এবং খিলাফৎ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো।

উত্তর: 'খলিফা' একটি আরবি শব্দ যার অর্থ প্রতিনিধি বা উত্তরাধিকারী, এবং হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর ইসলামি জগতের প্রধান চার সঙ্গীদের মধ্যে নির্বাচিত নেতাদের খলিফা বলা হয়।
খলিফারা সমগ্র 'দার-উল ইসলাম' বা ইসলামি শাসনভুক্ত অঞ্চলের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতা হিসেবে কাজ করেন।খলিফার অধিকারভুক্ত বা কর্তৃত্বাধীন এলাকা বা অঞ্চলকে 'খিলাফৎ' বলা হয়।খলিফারা তাদের ক্ষমতা ও নীতি অনুযায়ী ইসলামি শাসন ও ধর্মীয় নীতিমালা কার্যকর করতেন।


️ রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর(প্রশ্নের মান-৫):

🌹১.রাজা শশাঙ্কের শাসনকালের গুরুত্ব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: রাজা শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের প্রথম স্বাধীন ও প্রভাবশালী শাসক যিনি তাঁর রাজধানী কর্ণসুবর্ণ থেকে শাসন পরিচালনা করতেন।
তিনি উত্তর ভারতের বিভিন্ন শক্তিকে পরাজিত করে গৌড়ের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন এবং মগধ ও ওড়িশার একাংশ নিজের অধিকারে এনেছিলেন।তার রাজত্বকালে বাংলায় সোনার মুদ্রা প্রচলিত ছিল এবং গৌড়ীয় কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল।
শশাঙ্কের সময় থেকেই বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস একটি নির্দিষ্ট ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় নেয়।


🌹২.‘ত্রিপাক্ষিক সংগ্রাম’ কেন হয়েছিল এবং এর ফলাফল কী ছিল?
উত্তর: কনৌজ শহরটি গঙ্গা উপত্যকায় অবস্থিত হওয়ায় এবং সেখানকার নদী-ভিত্তিক বাণিজ্য ও খনিজ সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ পাওয়ার লক্ষ্যে পাল, গুর্জর-প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট বংশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চলেছিল।এই তিনটি রাজবংশই কনৌজকে নিজেদের দখলে রেখে উত্তর ভারতের শ্রেষ্ঠ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চেয়েছিল।
প্রায় দুশো বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের ফলে তিনটি রাজবংশের সামরিক ও আর্থিক শক্তি চূড়ান্তভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়েছিল।
শেষ পর্যন্ত পাল রাজাদের ক্ষমতা কমে যাওয়ায় বাংলায় সেন রাজত্বের পথ প্রশস্ত হয়েছিল।


🌹৩.দক্ষিণ ভারতে চোল শক্তির উত্থান কীভাবে ঘটেছিল?
উত্তর: দক্ষিণ ভারতের কাবেরী নদী ও তার শাখানদীগুলোর ব-দ্বীপ অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বিজয়ালয়ের নেতৃত্বে চোল রাজ্য শক্তিশালী হয়ে ওঠে।চোল রাজারা একটি দক্ষ নৌবাহিনী গড়ে তুলেছিলেন, যার সাহায্যে তারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন।রাজা প্রথম রাজেন্দ্র পাল রাজাকে পরাজিত করে গঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকা জয় করেন এবং ‘গঙ্গাইকোণ্ডচোল’ উপাধি গ্রহণ করেন।তাঁদের শাসনকালে মন্দিরকে কেন্দ্র করে জনবসতি ও গ্রাম পরিষদ (উর্‌) গড়ে উঠেছিল যা দক্ষিণ ভারতের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছিল।


👉Our WhatsApp Channel:লেখাপড়া Online.

<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>>>>>

👉For pdf whatsapp-8250978714



Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.