✍️বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. কোন পর্দা নিউক্লিয়াসকে সাইটোপ্লাজম থেকে আলাদা রাখে?
(ক) কোষ প্রাচীর, (খ) কোষ পর্দা, (গ) নিউক্লিয় পর্দা, (ঘ) নিউক্লিওলাস।
উত্তর: (গ) নিউক্লিয় পর্দা।
২. প্রোটিন সংশ্লেষণ করে যে অঙ্গাণু তা কী?
(ক) রাইবোজোম, (খ) লাইসোজোম, (গ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (ঘ) গলগি বডি।
উত্তর: (ক) রাইবোজোম।
৩. লাইসোজোম কয়টি একক পর্দা দ্বারা ঘেরা থাকে?
(ক) একটি, (খ) তিনটি, (গ) দুটি, (ঘ) চারটি।
উত্তর: (ক) একটি।
৪. যে কলা পেশি সংকোচন ঘটায় তা কী?
(ক) পেশি কলা, (খ) স্নায়ু কলা, (গ) যোগ কলা, (ঘ) আবরণী কলা।
উত্তর: (ক) পেশি কলা।
৫. অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকায় কী থাকে?
(ক) মেসোজোম, (খ) প্রোটোপ্লাজমীয় অংশ, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) রাইবোজোম।
উত্তর: (ঘ) রাইবোজোম।
৬. কোষের প্রোটিন প্রস্তুতকারী অঙ্গাণুটি কী?
(ক) প্লাস্টিড, (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (গ) রাইবোজোম, (ঘ) গলগি বডি।
উত্তর: (গ) রাইবোজোম।
৭. লাইসোজোম কোন অঙ্গাণু থেকে উৎপন্ন হয়?
(ক) গলগি বডি, (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (গ) এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা, (ঘ) সেন্ট্রোজোম।
উত্তর: (ক) গলগি বডি।
৮. রক্তকে শরীরের দূরতম প্রান্তে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্গ কোনটি?
(ক) মস্তিষ্ক, (খ) হৃৎপিণ্ড, (গ) বৃক্ক, (ঘ) ফুসফুস।
উত্তর: (খ) হৃৎপিণ্ড।
৯. ঠান্ডা পরিবেশে প্রাণীদের দেহে যে উপাদান থাকে তা কী?
(ক) মিউসিলেজ, (খ) ক্লোরাইড কোষ, (গ) অ্যান্টিফ্রিজ প্রোটিন, (ঘ) এরেনকাইমা।
উত্তর: (গ) অ্যান্টিফ্রিজ প্রোটিন।
১০. রেটিনার কোষ যা উজ্জ্বল আলো শোষণে সক্ষম তা কী?
(ক) চর্বি কোষ, (খ) রড কোষ, (গ) কোণ কোষ, (ঘ) অনুচক্রিকা।
উত্তর: (গ) কোণ কোষ।
১১. পর্দাবিহীন অঙ্গাণুটি কী?
(ক) প্লাস্টিড, (খ) লাইসোজোম, (গ) রাইবোজোম, (ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া।
উত্তর: (গ) রাইবোজোম।
১২. এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা কোথা থেকে উৎপন্ন হয়?
(ক) প্লাজমা পর্দা, (খ) নিউক্লিয় পর্দা, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) গলগি বডি।
উত্তর: (খ) নিউক্লিয় পর্দা।
১৩. উদ্ভিদের পাতায় থাকা সবুজ রঞ্জক কী?
(ক) ক্রোমোপ্লাস্ট, (খ) লিউকোপ্লাস্ট, (গ) ক্লোরোপ্লাস্ট, (ঘ) এর কোনোটিই নয়।
উত্তর: (গ) ক্লোরোপ্লাস্ট।
১৪. "আত্মঘাতী থলি" বলা হয় কোন অঙ্গাণুকে?
(ক) গলগি বডি, (খ) রাইবোজোম, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) সেন্ট্রোজোম।
উত্তর: (গ) লাইসোজোম।
১৫. প্রাণী কোষের পর্দাবিহীন অঙ্গাণুটি কী?
(ক) রাইবোজোম, (খ) লাইসোজোম, (গ) সেন্ট্রোজোম, (ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া।
উত্তর: (ক) রাইবোজোম।
১৬. চুল ও নখের বৃদ্ধিতে যে অঙ্গাণু ভূমিকা পালন করে তা কী?
(ক) মাইটোকন্ড্রিয়া, (খ) সেন্ট্রোজোম, (গ) রাইবোজোম, (ঘ) গলগি বডি।
উত্তর: (খ) সেন্ট্রোজোম।
১৭. ক্রিস্টি কোথায় দেখা যায়?
(ক) গলগি বডি, (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) রাইবোজোম।
উত্তর: (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া।
১৮. যে কলা উদ্দীপনা পরিবহন করে সেটি কী?
(ক) যোগ কলা, (খ) পেশি কলা, (গ) স্নায়ু কলা, (ঘ) আবরণী কলা।
উত্তর: (গ) স্নায়ু কলা।
১৯. কোন অঙ্গাণু প্রাণী কোষের বিভাজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
(ক) সেন্ট্রোজোম, (খ) রাইবোজোম, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) প্লাস্টিড।
উত্তর: (ক) সেন্ট্রোজোম।
২০. কোন অঙ্গাণুটি প্রাণী কোষে উপস্থিত থাকে কিন্তু উদ্ভিদ কোষে থাকে না?
(ক) লাইসোজোম, (খ) সেন্ট্রোজোম, (গ) প্লাস্টিড, (ঘ) রাইবোজোম।
উত্তর: (খ) সেন্ট্রোজোম।
২১. যে অঙ্গাণু কোষের পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ ধ্বংস করতে সাহায্য করে তা কী?
(ক) রাইবোজোম, (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) নিউক্লিয়াস।
উত্তর: (গ) লাইসোজোম।
২২. কোন অঙ্গাণুকে কোষের "শক্তিঘর" বলা হয়?
(ক) মাইটোকন্ড্রিয়া, (খ) রাইবোজোম, (গ) গলগি বডি, (ঘ) সেন্ট্রোজোম।
উত্তর: (ক) মাইটোকন্ড্রিয়া।
২৩. কোন কোষীয় অঙ্গাণু প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে?
(ক) সাইটোপ্লাজম, (খ) রাইবোজোম, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) গলগি বডি।
উত্তর: (খ) রাইবোজোম।
২৪. একটি জবা ফুলের অংশ পর্যালোচনার জন্য কোনটি ব্যবহার করা উচিত?
(ক) ম্যাগনিফায়িং গ্লাস, (খ) সরল মাইক্রোস্কোপ, (গ) ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ, (ঘ) যৌগিক মাইক্রোস্কোপ।
উত্তর: (খ) সরল মাইক্রোস্কোপ।
২৫. যে কোষ অঙ্গাণু খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে সেটি কী?
(ক) গলগি বডি, (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (গ) নিউক্লিয়াস, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (খ) মাইটোকন্ড্রিয়া।
২৬. কোন কোশটি জীবাণু ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে?
(ক) লোহিত রক্তকণিকা, (খ) অণুচক্রিকা, (গ) রডকোশ, (ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা।
উত্তর: (ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা।
২৭. মানবদেহের কোন কোশটি সবচেয়ে বড় হয়?
(ক) ডিম্বাণু, (খ) নিউরোন, (গ) ইওসিনোফিল, (ঘ) নিউরোগ্লিয়া।
উত্তর: (খ) নিউরোন।
২৮. কোন কোশীয় অঙ্গাণুটি গলজি বস্তু নামে পরিচিত?
(ক) লাইসোজোম, (খ) পলিজোম, (গ) গলজি বডি, (ঘ) সেন্ট্রোজোম।
উত্তর: (গ) গলজি বডি।
২৯. প্রোটিন সঞ্চয় এবং মজুত করে কোন অঙ্গাণু?
(ক) রাইবোজোম, (খ) লিউকোপ্লাসটিড, (গ) অ্যালিউরোন প্লাসটিড, (ঘ) অ্যালাইও প্লাসটিড।
উত্তর: (গ) অ্যালিউরোন প্লাসটিড।
৩০. উটপাখির ডিমটি কি ধরনের অঙ্গানু?
(ক) কোশ, (খ) কলা, (গ) অঙ্গ, (ঘ) তন্ত্র।
উত্তর: (ক) কোশ।
৩১. যে পরিবেশে অধিক চাপ এবং উচ্চতায় বাস করা হয়, সেখানে বসবাসকারী প্রাণীদের কোশীয় অঙ্গাণু সাধারণত বেশি থাকে—
(ক) রাইবোজোম, (খ) গলজি বস্তু, (গ) মাইটোকন্ড্রিয়া, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (গ) মাইটোকন্ড্রিয়া।
৩২. গলজি বডি কোন অঙ্গাণু থেকে তৈরি হয়?
(ক) এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা, (খ) রাইবোজোম, (গ) কোশপর্দা, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (গ) কোশপর্দা।
৩৩. অ্যামিবা কী ধরনের কোশে গঠিত?
(ক) বহু কোশ, (খ) দুটি কোশ, (গ) একটি কোশ।
উত্তর: (গ) একটি কোশ।
৩৪. শরীরের চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে—
(ক) যোগকলা, (খ) আবরণী কলা, (গ) পেশিকলা, (ঘ) স্নায়ুকলা।
উত্তর: (গ) পেশিকলা।
৩৫. রক্তের অক্সিজেন পরিবহনকারী কোশ হলো—
(ক) পেশিকোণ, (খ) স্নায়ুকোশ, (গ) লোহিত রক্তকণিকা, (ঘ) অণুচক্রিকা।
উত্তর: (গ) লোহিত রক্তকণিকা।
৩৬. রাইবোজোম সৃষ্টিতে কোন অঙ্গাণু সহায়ক?
(ক) গলজি বস্তু, (খ) সাইটোপ্লাজম, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) রাইবোজোম।
উত্তর: (ঘ) রাইবোজোম।
৩৭. প্রোক্যারিওটিক জীবাণু কোনটি?
(ক) ভাইরাস, (খ) প্রোটোজোয়া, (গ) ইস্ট, (ঘ) ব্যাকটেরিয়া।
উত্তর: (ঘ) ব্যাকটেরিয়া।
৩৮. দ্বৈত ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু কোনটি?
(ক) মাইটোকন্ড্রিয়া, (খ) লাইসোজোম, (গ) রাইবোজোম, (ঘ) কোনোটিই নয়।
উত্তর: (ক) মাইটোকন্ড্রিয়া।
৩৯. মানবদেহের কোশে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
(ক) ২২, (খ) ২৩, (গ) ৪৪, (ঘ) ৪৬।
উত্তর: (ঘ) ৪৬।
৪০. কাচের পরিবর্তে কোন যন্ত্রে তড়িৎচুম্বক ব্যবহার করা হয়?
(ক) সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (খ) সরল আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (গ) যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (ঘ) ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে।
উত্তর: (ঘ) ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে।
৪১. কোন অঙ্গাণুর বৃদ্ধি ক্যানসারের কারণ হতে পারে?
(ক) মাইটোকন্ড্রিয়া, (খ) গলজি বস্তু, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) রাইবোজোম।
উত্তর: (গ) লাইসোজোম।
৪২. বহিঃকঙ্কাল গঠনে সহায়তা করে কোন কলা?
(ক) আবরণী কলা, (খ) যোগকলা, (গ) পেশিকলা, (ঘ) স্নায়ুকলা।
উত্তর: (ক) আবরণী কলা।
৪৩. অক্সিজোম থাকে—
(ক) ক্লোরোপ্লাস্টিডে, (খ) মাইক্রোটিউবিউলসে, (গ) লাইসোজোমে, (ঘ) মাইটোকনড্রিয়ায়।
উত্তর: (ঘ) মাইটোকনড্রিয়ায়।
৪৪. চোখের রেটিনায় মৃদু আলো শোষণ করতে সক্ষম কোন কোশ?
(ক) কোনকোশ, (খ) রডকোশ, (গ) মাস্টকোশ, (ঘ) চর্বিকোশ।
উত্তর: (খ) রডকোশ।
৪৫. কোন কোশটি রোগজীবাণু ধ্বংস করে?
(ক) লোহিত রক্তকণিকা, (খ) অণুচক্রিকা, (গ) রডকোশ, (ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা।
উত্তর: (ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা।
৪৬. অধিক চাপ ও উচ্চতাযুক্ত পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীদের ______ কোশীয় অঙ্গাণু বেশি থাকে।
(ক) রাইবোজোম, (খ) গলজি বস্তু, (গ) মাইটোকনড্রিয়া, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (গ) মাইটোকনড্রিয়া।
৪৭. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে—
(ক) যোগকলা, (খ) আবরণী কলা, (গ) পেশিকলা, (ঘ) স্নায়ুকলা।
উত্তর: (গ) পেশিকলা।
৪৮. একজন স্বাভাবিক মানুষের দেহকোশের নিউক্লিয়াসে কতটি ক্রোমোজোম থাকে?
(ক) ২২, (খ) ২৩, (গ) ৪৪, (ঘ) ৪৬।
উত্তর: (ঘ) ৪৬।
৪৯. নীচের কোনটি প্রোক্যারিওটিক?
(ক) ভাইরাস, (খ) প্রোটোজোয়া, (গ) ইস্ট, (ঘ) ব্যাকটেরিয়া।
উত্তর: (ঘ) ব্যাকটেরিয়া।
৫০. দ্বৈত পর্দাবেষ্টিত অঙ্গাণু কোনটি?
(ক) মাইটোকনড্রিয়া, (খ) লাইসোজোম, (গ) রাইবোজোম, (ঘ) কোনোটিই নয়।
উত্তর: (ক) মাইটোকনড্রিয়া।
৫১. দেহের বর্জ্য মূত্রের মাধ্যমে বের করে—
(ক) বৃক্ক, (খ) হৃৎপিণ্ড, (গ) ফুসফুস, (ঘ) মস্তিষ্ক।
উত্তর: (ক) বৃক্ক।
৫২. কোন কোশীয় অঙ্গাণু প্রোটিন সঞ্চয় করে?
(ক) রাইবোজোম, (খ) লিউকোপ্লাসটিড, (গ) অ্যালিউরোন প্লাসটিড, (ঘ) অ্যালাইও প্লাসটিড।
উত্তর: (গ) অ্যালিউরোন প্লাসটিড।
৫৩. উটপাখির সবচেয়ে বড় অংকিত ডিমটি কী ধরনের কোশ?
(ক) কোশ, (খ) কলা, (গ) অঙ্গ, (ঘ) তন্ত্র।
উত্তর: (ক) কোশ।
৫৪. গলজি বস্তু গঠন হয় কোন অঙ্গাণু থেকে?
(ক) এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা, (খ) রাইবোজোম, (গ) কোশপর্দা, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (গ) কোশপর্দা।
৫৫. কোন কোশীয় অঙ্গাণুতে বহুরুপতা দেখা যায়?
(ক) রাইবোজোম, (খ) নিউক্লিয়াস, (গ) লাইসোজোম, (ঘ) গলজি বডি।
উত্তর: (গ) লাইসোজোম।
৫৬. প্রাচীন নিউক্লিয়াসযুক্ত জীব কোনটি?
(ক) শৈবাল, (খ) ইউঘ্নিনা, (গ) ইস্ট, (ঘ) নীলাভ-সবুজ শৈবাল।
উত্তর: (ঘ) নীলাভ-সবুজ শৈবাল।
৫৭. উচ্চ চাপ ও উচ্চতাযুক্ত পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীর কোশীয় অঙ্গাণু সাধারণত বেশি থাকে—
(ক) রাইবোজোম, (খ) গলজি বস্তু, (গ) মাইটোকনড্রিয়া, (ঘ) লাইসোজোম।
উত্তর: (গ) মাইটোকনড্রিয়া।
৫৮. মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ কোশ কী?
(ক) ডিম্বাণু, (খ) নিউরোন, (গ) ইওসিনোফিল, (ঘ) নিউরোগ্লিয়া।
উত্তর: (খ) নিউরোন।
৫৯. দেহের বর্জ্য মূত্রের মাধ্যমে বের করে—
(ক) বৃক্ক, (খ) হৃৎপিণ্ড, (গ) ফুসফুস, (ঘ) মস্তিষ্ক।
উত্তর: (ক) বৃক্ক।
৬০. দ্রষ্টব্য বস্তুকে দেখার জন্য ফোটোগ্রাফিক ফিল্ম ব্যবহৃত হয়—
(ক) যে কোনো অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (খ) সরল আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (গ) যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে, (ঘ) ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে।
উত্তর: (ঘ) ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে।
✍️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. প্রাণী কোষ বিভাজনে কোন অঙ্গানু অংশগ্রহণ করে?
উত্তর – সেন্ট্রোজোম।
২. DNA এর পূর্ণ রূপ কী?
উত্তর – ডি-অক্সি রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড।
৩. কোষের শক্তি উৎপাদনকারী অঙ্গানু কোনটি?
উত্তর – মাইটোকন্ড্রিয়া।
৪. যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের ব্যবহৃত লেন্সগুলির নাম লেখ।
উত্তর – অকিউলার লেন্স, অবজেকটিভ লেন্স।
৫. জীব দেহের গঠনের ধাপগুলি রেখাচিত্রের সাহায্যে দেখাও।
উত্তর – জীবদেহের গঠনের ধাপগুলি হল –
জীবদেহ ➞ অঙ্গতন্ত্র ➞ অঙ্গ ➞ কলা ➞ কোশ
৬. পেশি কোশের রক্ত কণিকার নাম কী?
উত্তর – লোহিত রক্ত কণিকা।
৭. ব্যাকটেরিয়ার শ্বাস প্রশ্বাসের অঙ্গটির নাম কী?
উত্তর – মেসোজোম।
৮. মাইক্রোস্কোপের নিচে পেঁয়াজের কোশ পর্যবেক্ষণ করার সময় যে ফাঁকা গঠনটি চোখে পড়ে সেটি কী?
উত্তর – গহ্বর।
৯. লবণাক্ত পরিবেশে বসবাসকারী প্রাণীদের ফুলকায় অবস্থিত কোশের নাম কী?
উত্তর – ক্লোরাইড কোশ।
১০. ক্রোমোপ্লাস্টিডের কাজ কী?
উত্তর – ফুল ও ফলের বর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা।
১১. কোন কোশ অঙ্গাণু 'কোশের মস্তিষ্ক' নামে পরিচিত?
উত্তর – নিউক্লিয়াস।
১২. আমি একটি পর্দাবিহীন অঙ্গানু যার মধ্যে পুরনো জীর্ণ কোশ ধ্বংস করার জন্য নানা ধরনের উৎসেচক থাকে, আমি কে?
উত্তর – লাইসোজোম।
১৩. উজ্জ্বল আলোয় বর্ণ দর্শনের সাহায্য করে কোন কোষ?
উত্তর – শঙ্কু আকৃতির কোণ কোশ।
১৪. উদ্ভিদের দেহে কোন ধরনের কলা দেখা যায়?
উত্তর – স্থায়ী কলা এবং ভাজক কলা।
১৫. চোখের রেটিনায় উপস্থিত কোন কোশ মৃদু আলোয় দর্শনে সাহায্য করে?
উত্তর – দণ্ডাকার রড কোশ।
১৬. একটি কোশে যদি সব রাইবোজোম ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে কোশটির কোন কাজ ব্যাহত হবে?
উত্তর – প্রোটিন সংশ্লেষ।
১৭. একটি পর্দাবিহীন কোষ অঙ্গাণুর নাম কী?
উত্তর – রাইবোজোম।
১৮. ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে কাচের লেন্সের পরিবর্তে কী ব্যবহার করা হয়?
উত্তর – তড়িৎ চুম্বক।
১৯. কোন বিজ্ঞানী কোশের আবিষ্কার করেছিলেন?
উত্তর – রবার্ট হুক।
২০. এককোশি প্রাণী দেখতে আপনি কোন অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করবেন?
উত্তর – যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র।
২১. স্নায়ুকলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কী?
উত্তর – এটি সংবেদন গ্রহণ করে।
২২. বর্ণহীন প্লাস্টিডের একটি কার্যাবলী কী?
উত্তর – এটি বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সঞ্চয় করে।
২৩. রাইবোজোম কী ধরনের ফ্যাক্টরি হিসেবে কাজ করে?
উত্তর – প্রোটিন ফ্যাক্টরি।
২৪. লাইসোজোমকে কী বলা হয়?
উত্তর – আত্মঘাতী থলি।
২৫. পিতা-মাতা থেকে সন্তানদের মধ্যে বংশগত বৈশিষ্ট্য কী মাধ্যমে বাহিত হয়?
উত্তর – জিনের মাধ্যমে।
২৬. প্রত্যেকটি কলা কী ধরনের সমষ্টি?
উত্তর – কোশের সমষ্টি।
২৭. গলগি বস্তুর সৃষ্টি হয় কোথা থেকে?
উত্তর – এণ্ডোপ্লাজমীয় জালিকা থেকে।
২৮. ব্যাকটেরিয়ার শ্বসনে সাহায্য করে কী?
উত্তর – মেসোজোম।
২৯. ক্যাকটাসের মিউসিলেজের সাথে মেরু অঞ্চলের প্রাণীদের সম্পর্ক কী?
উত্তর – মেরু অঞ্চলের প্রাণীদের অ্যান্টিফ্রিজ প্রোটিন।
৩০. জীবাণু আক্রান্ত কোশকে ধ্বংস করতে পারে কোন অঙ্গানু?
উত্তর – লাইসোজোম।
৩১. কোন রক্তকণিকা রোগ জীবাণু ধ্বংস করে?
উত্তর – শ্বেত রক্তকণিকা।
৩২. অ্যমিবার চলাফেরা সাহায্য করে কোন অঙ্গানু?
উত্তর – ক্ষণপদ।
৩৩. পিতা-মাতা থেকে বংশগত বৈশিষ্ট্য কোন উপাদান দ্বারা সন্তানের মধ্যে বাহিত হয়?
উত্তর – জিন।
৩৪. কোন কোষ অঙ্গানুর সক্রিয়তায় ক্যান্সারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়?
উত্তর – লাইসোজোম।
৩৫. অধিক উচ্চতায় বসবাসের জন্য প্রাণীদের রক্তে কী সংখ্যা বেশি হয়?
উত্তর – লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা।
৩৬. প্রাণীদেহে কত ধরনের কলা থাকে?
উত্তর: চার ধরনের কলা থাকে। যথা: ক) আবরণী কলা, খ) যোগকলা, গ) পেশীকলা, ঘ) স্নায়ুকলা।
৩৭. বর্ণহীন প্লাস্টিডের নাম কী?
উত্তর: লিউকোপ্লাস্টিড।
৩৮. কিউটিকল কী?
উত্তর: ক্যাকটাস জাতীয় উদ্ভিদের মোমজাতীয় পদার্থের পুরু আস্তরণকে কিউটিকল বলা হয়।
৩৯. ক্যাকটাসের কোশের কোন উপাদানটি জল সঞ্চয় করতে সক্ষম?
উত্তর: মিউসিলেজ।
৪০. কোষরস কী?
উত্তর: উদ্ভিদ কোষের কোষগহ্বরের মধ্যস্থ তরলকে কোশরস বলা হয়।
৪১. ক্রোমোপ্লাস্ট কোথায় থাকে?
উত্তর: রঙিন ফুলের পাপড়ি এবং পাকা ফলের ত্বকে।
৪২. উদ্ভিদের 'খাদ্য তৈরির কারখানা' কোন কোষ অঙ্গাণু হিসাবে পরিচিত?
উত্তর: ক্লোরোপ্লাস্টিড।
৪৩. উদ্ভিদ কোষের কোশগহ্বরের কাজ কী?
উত্তর: খাদ্যগহ্বর, জলগহ্বর, রেচনগহ্বর, সংকোচী গহ্বর প্রভৃতি।
৪৪. ব্যাকটেরিয়া কোষে শ্বসনের সহায়ক অংশটির নাম কী?
উত্তর: মেসোজোম।
৪৫. কোন প্রাণী কোশ আংটির মতো দেখতে?
উত্তর: অ্যাডিপোজ কলায় থাকা মেদকোশ।
৪৬. প্রোটোপ্লাজম কী?
উত্তর: কোশপর্দা দ্বারা বেষ্টিত বর্ণহীন, অর্ধতরল, জেলির মতো আঠালো সজীব অংশকে প্রোটোপ্লাজম বলা হয়।
৪৭. ব্যাকটেরিয়ার কোষে মাইট্রোকন্ডিয়া বিকল্প রূপে কী শোষণে সাহায্য করে?
উত্তর: মেসোজোম।
৪৮. উদ্ভিদের বর্ণহীন প্লাস্টিডের নাম কী?
উত্তর: লিউকোপ্লাস্টিড।
৪৯. ক্যাকটাসের কাণ্ডের কোশে জল সঞ্চয়কারী উপাদানটি কী?
উত্তর: মিউসিলেজ।
৫০. কোন কোষ অঙ্গানু ফুল এবং ফলের রং নির্ধারণে অংশগ্রহণ করে?
উত্তর: ক্রোমোপ্লাসটিড।
৫১. ইউক্যারিওটিক উদ্ভিদ কোশের কোন অঙ্গানুতে সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়া ঘটে?
উত্তর: ক্লোরোপ্লাসটিড।
৫২. কোন কোষ অঙ্গানু শুধুমাত্র উদ্ভিদ কোশে থাকে?
উত্তর: প্লাস্টিড।
৫৩. প্রাণী কোষের কোন অঙ্গানু কোশ বিভাজনে সাহায্য করে?
উত্তর: সেন্ট্রোজোম।
৫৪. কোন অঙ্গানুকে প্রোটিন তৈরির কারখানা বলা হয়?
উত্তর: রাইবোজোম।
৫৫. লাইসোজোমের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ে?
উত্তর: ক্যান্সার।
৫৬. কোন কোষ অঙ্গানু থেকে লাইসোজোম উৎপন্ন হয়?
উত্তর: গলজি বস্তু।
৫৭. মাইটোকন্ড্রিয়া কী কাজ করে?
উত্তর: খাদ্যের পরিশোষককে ভেঙে শক্তি উৎপাদন করে।
৫৮. নিউক্লিয়াসের কোন অংশ থেকে রাইবোজোম তৈরি হয়?
উত্তর: নিউক্লিওলাস অংশ থেকে রাইবোজোম তৈরি হয়।
৫৯. জিন কী?
উত্তর: DNA এর বিশেষ অংশ যা জীবের বৈশিষ্ট্য প্রকাশকারী প্রোটিন তৈরির সংকেত বহন করে।
৬০. মানুষের দেহে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
উত্তর: ৪৬।
৬১. ক্রোমোজোমে কত প্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে এবং কী কী?
উত্তর: দুটি প্রকার, DNA ও RNA।
৬২. কোশের ভিতরের জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থ কী বলে?
উত্তর: সাইটোপ্লাজম।
৬৩. নিউক্লিওলাস কী?
উত্তর: নিউক্লিয়াসের মধ্যস্থ ঘন, গোলাকার গঠনকে নিউক্লিওলাস বলা হয়।
৬৪. নিউক্লিওলাস কী দিয়ে গঠিত?
উত্তর: মূলত RNA এবং প্রোটিন দ্বারা গঠিত।
৬৫. প্রাণী কোশের প্রোটোপ্লাজম কী কী নিয়ে গঠিত?
উত্তর: নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম।
৬৬. অক্সিজোম কোথায় থাকে?
উত্তর: মাইট্রোকন্ডিয়া।
৬৭. কোশের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র কী?
উত্তর: নিউক্লিয়াস।
৬৮. প্লাজমা পর্দায় সবচেয়ে বেশি কী থাকে?
উত্তর: ফ্যাট।
৬৯. প্রাণীদের চলাচলে সাহায্য করে কোন কলা?
উত্তর: পেশীকলা।
৭০. প্রাণী দেহের কোন কলা ভার বহন করে?
উত্তর: যোগকলা।
৭১. উদ্ভিদের কোন কলা বিভাজনে অক্ষম?
উত্তর: স্থায়ীকলা।
৭২. শ্বাসবায়ুর আদান-প্রদান এবং শক্তি উৎপাদন পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
উত্তর: শ্বসন।
৭৩. অ্যামিবার চলাচলের অঙ্গটির নাম কী?
উত্তর: ক্ষণপদ বা সিউডোপোডিয়া।
৭৪. উদ্ভিদের বীজের আবরণে কোন কোশে প্রোটোপ্লাজম থাকে না?
উত্তর: প্রস্তরকোশে।
৭৫. পরিবর্তনশীল পরিবেশে কোন জীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে?
উত্তর: বহুকোষী জীব।
৭৬. ভাইরাস দেখতে কোন অণুবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্র।
৭৭. কলা কী?
উত্তর: একই ধরনের কাজ করতে সক্ষম কোশের সমষ্টিকে কলা বলা হয়।
৭৮. জনন কী?
উত্তর: শরীরবৃত্তীয় ক্রিয়ার মাধ্যমে জীবের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষা করাকে জন্ন বলে।
৭৯. কোন উদ্ভিদ পরিবেশের উদ্দীপনায় সাড়া দেয়?
উত্তর: লজ্জাবতী।
৮০. গমন কী?
উত্তর: এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া বা স্থান পরিবর্তন করাকে গমন বলে।
৮১. মানবদেহের সবচেয়ে দীর্ঘ কোশটির নাম কী?
উত্তর: স্নায়ুকোশ।
৮২. কোশের আকার নির্ণয় করার জন্য কী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: মাইক্রোমিটার বা মাইক্রন।
৮৩. পেশী কোশের আবরণকে কী বলা হয়?
উত্তর: সারকোলেমা।
৮৪. জীবাণু ধ্বংস করতে মানুষের রক্তে কোন কোশ কাজ করে?
উত্তর: শ্বেত রক্তকণিকা।
৮৫. কোন শৈবাল জীবের দেহ আয়তাকার কোশ দ্বারা গঠিত?
উত্তর: স্পাইরোগাইরা।
৮৬. রেটিনায় কোন ধরনের কোশ মৃদু আলো শোষণে সক্ষম?
উত্তর: দন্ডাকার রডকোশ।
৮৭. রেটিনায় কোন ধরনের কোশ উজ্জ্বল আলো ও বর্ণ শোষণ করতে সক্ষম?
উত্তর: শঙ্কু আকৃতির কোশ।
৮৮. প্রাণী দেহের চামড়ার নিচে আংটির মতো দেখতে কোন কোশ থাকে?
উত্তর: চর্বি কোশ।
৮৯. ক্লোরোফিল যুক্ত একটি এককোষী জীবের নাম কী?
উত্তর: ক্ল্যামাইডোমোনাস।
৯০. খালি চোখে দেখতে পাওয়া যায় কোন প্রাণী কোশ?
উত্তর: উটপাখির অনিষিক্ত ডিম।
✍️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২):
১. মানুষের লোহিত রক্তকণিকার আকৃতি কেমন এবং এই আকৃতির সুবিধা কী?
অথবা, লোহিত রক্তকণিকার চ্যাপ্টা আকৃতির জন্য এটি কী সুবিধা দেয়?
উত্তর: মানুষের লোহিত রক্তকণিকা গোলাকার এবং দু-পাশ চ্যাপ্টা আকারের থাকে। এই আকৃতির কারণে এটি রক্তনালীর মধ্যে সহজে চলাচল করতে সক্ষম হয় এবং অক্সিজেন বহনে আরো কার্যকর হয়।
২. প্রাইমরডিয়াল ইউট্রিকল কী?
উত্তর: যখন কোশের গহ্বরের আকার বাড়ে, তখন সাইটোপ্লাজম এবং নিউক্লিয়াস কোশের প্রাচীরের দিকে সরে গিয়ে একটি নতুন বিন্যাস তৈরি করে, যাকে প্রাইমরডিয়াল ইউট্রিকল বলা হয়।
৩. কোষপর্দার গঠন কীভাবে হয়?
উত্তর: কোশপর্দা তিনটি স্তর দিয়ে তৈরি হয়। বাইরের এবং অভ্যন্তরের স্তর দুটি প্রোটিনের দ্বারা গঠিত এবং মাঝের স্তরটি লিপিডের দ্বারা গঠিত।
৪. কোষপর্দার দুটি প্রধান কাজ কী?
উত্তর: কোশপর্দা দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে:
১. এটি কোশের অভ্যন্তরীণ অংশকে সুরক্ষা প্রদান করে।
২. এটি কোশের বিভিন্ন অঙ্গানু এবং নিউক্লিয়াসের পর্দা তৈরি করতে সহায়তা করে।
৫. যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহৃত লেন্সের নাম কী?
উত্তর: যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্রে বস্তুর ছবি বড় করে দেখানোর জন্য দুটি প্রধান লেন্স ব্যবহৃত হয়। এগুলি হল: অকিউলার লেন্স এবং অবজেকটিভ লেন্স।
৬. যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র কী?
উত্তর: যে অণুবীক্ষণ যন্ত্র বস্তুকে বহু গুণ বড়ো করে দেখানোর জন্য উচ্চ বিবর্ধন ক্ষমতা সম্পন্ন একাধিক লেন্স ব্যবহার করে এবং বস্তুকে আলোকিত করতে দৃশ্যমান আলোর ব্যবহার করে, তাকে যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র বলা হয়। এর সাহায্যে বস্তুকে ২ হাজার থেকে ৪ হাজার গুণ পর্যন্ত বড় করে দেখা যায়।
৭. ইউক্যারিওটিক কোশের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য লিখ।
উত্তর:
১. ইউক্যারিওটিক কোশের নিউক্লিয়াস পর্দাবেষ্টিত এবং সংগঠিত থাকে।
২. এই ধরনের কোশে বিভিন্ন পর্দাবেষ্টিত অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে, যেমন মাইটোকন্ড্রিয়া এবং ক্লোরোপ্লাস্ট।
৮. কোশপর্দা ও কোশপ্রাচীরের মধ্যে একটি মিল ও একটি অমিল উল্লেখ করো।
উত্তর:
মিল: কোশপর্দা ও কোশপ্রাচীর উভয়ই কোশের বাইরের দিকে অবস্থিত এবং কোশকে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশের হাত থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
অমিল: কোশপর্দা প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয় কোশেই থাকে, কিন্তু কোশপ্রাচীর কেবলমাত্র উদ্ভিদ কোশে পাওয়া যায়।
৯. দ্বি-একক পর্দা বেষ্টিত একটি কোষীয় অঙ্গাণুর নাম ও তার কাজ কী?
উত্তর: দ্বি-একক পর্দা বেষ্টিত কোষীয় অঙ্গাণুর নাম হলো প্লাস্টিড। এটি সালোকসংশ্লেষণ, রঙ নির্ধারণ এবং পুষ্টি উপাদান সংরক্ষণে সাহায্য করে।
১০. কোষপর্দাকে প্রভেদক ভেদ্যপর্দা কেন বলা হয়?
উত্তর: কোষপর্দা সজীব কোষের বাইরের এবং ভিতরের পরিবেশের মধ্যে পদার্থের স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণ করে। এই কারণে একে প্রভেদক ভেদ্যপর্দা বলা হয়।
১১. DNA ও RNA-এর পূর্ণরূপ কী?
উত্তর:
DNA-এর পূর্ণরূপ হলো ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড।
RNA-এর পূর্ণরূপ হলো রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড।
১২. উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের দুটি পার্থক্য উল্লেখ করো।
উত্তর:
উদ্ভিদ কোষ:
১. উদ্ভিদ কোষে কোষ প্রাচীর উপস্থিত।
২. প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষে থাকে।
প্রাণী কোষ:
১. প্রাণী কোষে কোষ প্রাচীর অনুপস্থিত।
২. প্লাস্টিড সাধারণত প্রাণী কোষে থাকে না।
১৩. প্লাস্টিড কয় প্রকার ও কী কী?
উত্তর: প্লাস্টিড হলো উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে উপস্থিত একটি বিশেষ অঙ্গাণু। এটি তিন প্রকার: ক্লোরোপ্লাস্টিড (সালোকসংশ্লেষণ করে), ক্রোমোপ্লাস্টিড (রঙ নির্ধারণ করে), এবং লিউকোপ্লাস্টিড (পুষ্টি সঞ্চয় করে)।
১৪. রডকোশ ও কোণকোশ কাকে বলা হয়?
উত্তর:
রডকোশ: রেটিনায় অবস্থিত কোষ যা মৃদু আলোয় দৃষ্টিতে সাহায্য করে তাকে রডকোশ বলে।
কোণকোশ: রেটিনায় উপস্থিত কোষ যা উজ্জ্বল আলোয় রঙ শনাক্ত করতে সহায়তা করে তাকে কোণকোশ বলে।
১৫. মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কেন?
উত্তর: মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলা হয় কারণ:
ক) মাইটোকন্ড্রিয়া শ্বসনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং খাদ্যের জারণের মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি মুক্তি ঘটায়।
খ) এটি কোষের সমস্ত বিপাকীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে।
১৬. ইউক্যারিওটিক কোষ কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব কোষের নিউক্লিয়াস সুনিয়ন্ত্রিত এবং সাইটোপ্লাজমে পর্দাবেষ্টিত কোষীয় অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে, তাদের ইউক্যারিওটিক কোষ বলা হয়।
উদাহরণ: উচ্চতর শ্রেণির উদ্ভিদ কোষ এবং প্রাণী কোষ।
১৭. প্রোক্যারিওটিক কোষ কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।
উত্তর: যেসব কোষের নিউক্লিয়াস অসংগঠিত এবং সাইটোপ্লাজমে কোনো পর্দাবেষ্টিত কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না, তাদের প্রোক্যারিওটিক কোষ বলা হয়।
উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া এবং নীলাভ-সবুজ শৈবাল।
১৮. প্রোটোপ্লাজম কাকে বলা হয়?
উত্তর: কোষপর্দার ভেতরে থাকা বর্ণহীন, অর্ধতরল, জেলির মতো আঠালো সজীব পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলা হয়।
১৯.DNA ও RNA এর দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
| বৈশিষ্ট্য | DNA | RNA |
|---|---|---|
| গঠন | দ্বি-সুস্পষ্ট হেলিক্স গঠন। |
একক সুত্র গঠন। |
| বেস | অ্যাডেনিন (A), সাইটোসিন (C), গুয়ানিন (G), থাইমিন (T)। | অ্যাডেনিন (A), সাইটোসিন (C), গুয়ানিন (G), ইউরাসিল (U)। |
২০.ইউক্যারিওটিক কোষ ও প্রোক্যারিওটিক কোষের দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর:
| বৈশিষ্ট্য | ইউক্যারিওটিক কোষ | প্রোক্যারিওটিক কোষ |
|---|---|---|
| নিউক্লিয়াস | সুসংগঠিত এবং পর্দাবেষ্টিত। | অসংগঠিত এবং পর্দাবিহীন। |
| কোষীয় অঙ্গাণু | পর্দাবেষ্টিত কোষ অঙ্গাণু থাকে। | পর্দাবিহীন কোষ অঙ্গাণু থাকে। |
✍️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৩):
১.এন্ডোপ্লাজমিক জালিকার গঠন বর্ণনা করো।
উত্তর:
এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা হল কোশের ভেতরের একটি জালের মতো গঠন, যা প্লাজমা ঝিল্লি থেকে নিউক্লিয়াসের ঝিল্লি পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এটি ঝিল্লিবেষ্টিত নল ও থলির সমন্বয়ে তৈরি। এর মাধ্যমে সাইটোপ্লাজমকে বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত করা হয়। কিছু অংশে প্রোটিন সংশ্লেষের জন্য রাইবোজোম যুক্ত থাকে, যা এটিকে অমসৃণ করে তোলে। অন্য অংশে রাইবোজোম না থাকায় এটি মসৃণ হয়।
২.গলজি বস্তুর গঠন ও কাজ উল্লেখ করো।
উত্তর:
গলজি বস্তুর গঠন:
গলজি বস্তু নিউক্লিয়াসের কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি চ্যাপ্টা, স্তূপাকৃতি থলি ও ছোট গহ্বর দিয়ে গঠিত।
গলজি বস্তুর কাজ:
- কোশে তৈরি হওয়া উপাদান যেমন প্রোটিন ও লিপিড পরিবহন করা।
- হরমোন ও উৎসেচকের ক্ষরণে সাহায্য করা।
- বিভিন্ন জৈব পদার্থকে সংশ্লেষ ও জমা রাখা।
৩.ভাজক কলা ও স্থায়ী কলার দুটি করে কাজ উল্লেখ করো।
উত্তর:
ভাজক কলার কাজ:
- উদ্ভিদের নতুন অঙ্গ তৈরি করা।
- মূল এবং কাণ্ডের দৈর্ঘ্য ও পরিধি বৃদ্ধি করা।
স্থায়ী কলার কাজ:
- খাদ্য তৈরি, সঞ্চয় ও পরিবহন করা।
- বর্জ্য পদার্থ জমা রাখা এবং বীজ ও ফলের বিস্তারে সাহায্য করা।
৪.যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর:
যৌগিক আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্র বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এর ব্যবহার নিম্নরূপ:
- ব্যাকটেরিয়া, শৈবাল, ছত্রাক এবং এককোশী ও বহুকোশী জীবের বাহ্যিক গঠন পর্যবেক্ষণে।
- উদ্ভিদকোষের বিভিন্ন অংশ, যেমন- মূল, কাণ্ড ও পাতার অভ্যন্তরীণ গঠন বিশ্লেষণে।
- জীবদেহের অঙ্গ ও তার প্রস্থচ্ছেদ করে কলার গঠন নির্ণয়ে।
- কোষের অভ্যন্তরীণ অঙ্গাণু এবং কোষের বহির্ভাগের পর্দার গঠন বোঝার জন্য।
৫.উদ্ভিদ দেহে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিডের ভূমিকা বর্ণনা করো।
উত্তর:
উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে রঙিন বা বর্ণহীন গঠন দেখা যায়, যা প্লাস্টিড নামে পরিচিত। প্লাস্টিড প্রধানত তিন ধরনের হয় এবং তাদের ভূমিকা নিম্নরূপ:
-
ক্লোরোপ্লাস্ট:
এটি এমন প্লাস্টিড, যার মধ্যে সবুজ রঞ্জক ক্লোরোফিল থাকে। এর ফলে উদ্ভিদের পাতা ও সবুজ অঙ্গ সবুজ হয়। ক্লোরোপ্লাস্ট উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখে। -
ক্রোমোপ্লাস্ট:
ক্রোমোপ্লাস্টে কমলা, লাল, হলুদ প্রভৃতি রঞ্জক থাকে। এটি ফুল ও ফলের রঙ নির্ধারণে সাহায্য করে এবং পাখি ও পোকা আকর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ। -
লিউকোপ্লাস্ট:
এটি বর্ণহীন প্লাস্টিড। লিউকোপ্লাস্ট উদ্ভিদের খাদ্য সঞ্চয় করে, যেমন শ্বেতসার, তেল বা প্রোটিন।
✍️রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৫):
১.একটি আদর্শ উদ্ভিদ কোষের চিত্র অঙ্কন করে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো।
উত্তর:
২.একটি আদর্শ প্রাণী কোষের চিত্র অঙ্কন করে বিভিন্ন অংশ চিহ্নিত করো।
উত্তর:
৩.চিত্রসহ নিউক্লিয়াসের গঠন ও কাজ লেখ।
উত্তর:
নিউক্লিয়াস কোষের ভেতরে অবস্থিত একটি গোলাকার বা ডিম্বাকার সজীব অঙ্গাণু, যা কোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এর গঠন ও কাজ নিম্নরূপ:
গঠন:
- নিউক্লিয়াসের বাইরের দিকে থাকে একটি ডাবল লেয়ারযুক্ত নিউক্লিয়ার মেমব্রেন। এই মেমব্রেনটি কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে নিউক্লিয়াসকে আলাদা করে।
- নিউক্লিয়ারের ভেতরে নিউক্লিওপ্লাজম নামে একটি জেলি সদৃশ তরল পদার্থ থাকে।
- নিউক্লিওপ্লাজমের মধ্যে ক্রোমাটিন থাকে, যা DNA এবং প্রোটিন দিয়ে তৈরি। ক্রোমাটিন কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোসোমে পরিণত হয়।
- নিউক্লিয়াসে নিউক্লিওলাস নামে একটি গঠন থাকে, যা রাইবোজোম তৈরি করতে সাহায্য করে।
কাজ:
- নিউক্লিয়াস কোষের সমস্ত কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি কোষ বিভাজন এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিউক্লিয়াসে উপস্থিত DNA জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ করে এবং উত্তরাধিকার বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- প্রোটিন সংশ্লেষণের নির্দেশ দেয়।
৪.চিত্রসহ মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন ও কাজ বর্ণনা করো।
উত্তর:
মাইটোকন্ড্রিয়া একটি গোলাকার, ডিম্বাকার বা দণ্ডাকার কোষীয় অঙ্গাণু, যা কোষের শক্তি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর গঠন এবং কাজ নিম্নরূপ:
গঠন:
- মাইটোকন্ড্রিয়ার বাইরে একটি বহিঃপর্দা এবং ভিতরে একটি অন্তঃপর্দা থাকে।
- অন্তঃপর্দাটি ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি গঠন করে, যা পৃষ্ঠতল বৃদ্ধি করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে DNA, RNA, রাইবোজোম এবং বিভিন্ন উৎসেচক থাকে।
- এটি কোষের শক্তি সংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।
কাজ:
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসনে অংশগ্রহণ করে।
- গ্লুকোজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এবং ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো পুষ্টি উপাদান ভেঙে এডিনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) উৎপাদন করে।
- কোষের যাবতীয় শক্তি নির্ভর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের বিপাক প্রক্রিয়ার জন্য অত্যাবশ্যক।
| <<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>> |
|---|





.jpg)