✍️বিকল্প ভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. মীরকাশিমের শাসনামলে বাংলার রাজধানী কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছিল?
ক) ঢাকা, খ) কলকাতা, গ) অযোধ্যা, ঘ) মুঙ্গের।
উত্তর- ঘ) মুঙ্গের।
২. পলাশীর যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে হয়েছিল?
ক) ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুলাই, খ) ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২২ মার্চ, গ) ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন, ঘ) ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৫ মে।
উত্তর- গ) ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন।
৩. পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার নবাব হন কে?
ক) মীরকাশিম, খ) আলীবর্দী খান, গ) সিরাজউদ্দৌলা, ঘ) মীরজাফর।
উত্তর- ঘ) মীরজাফর।
৪. বক্সারের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
ক) ১৭৬৫, খ) ১৭৬৬, গ) ১৭৬৩, ঘ) ১৭৬৪।
উত্তর- ঘ) ১৭৬৪।
৫. বক্সারের যুদ্ধের সময় মোগল সম্রাট কে ছিলেন?
ক) ফারুকশিয়র, খ) মোহাম্মদ শাহ, গ) দ্বিতীয় আকবর, ঘ) দ্বিতীয় শাহ আলম।
উত্তর- ঘ) দ্বিতীয় শাহ আলম।
৬. বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানীর অধিকার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে লাভ করে?
ক) ১৭৬৬, খ) ১৭৬৪, গ) ১৭৬৫, ঘ) ১৭৬৩।
উত্তর- গ) ১৭৬৫।
৭. ব্রিটিশ কোম্পানির প্রতিনিধিদের কী বলা হত?
ক) জগৎশেঠ, খ) রেসিডেন্ট, গ) বর্গী দস্যু, ঘ) বণিক।
উত্তর- খ) রেসিডেন্ট।
৮. স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক কে ছিলেন?
ক) লর্ড ডালহৌসি, খ) লর্ড ক্যানিং, গ) লর্ড কর্নওয়ালিস, ঘ) লর্ড ওয়েলেসলি।
উত্তর- ক) লর্ড ডালহৌসি।
৯. পাঞ্জাব ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অংশ হয় কত সালে?
ক) ১৮৫২, খ) ১৮৫৩, গ) ১৮৫০, ঘ) ১৮৪৯।
উত্তর- ঘ) ১৮৪৯।
১০. প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ কত সালে শুরু হয়?
ক) ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে, খ) ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে, গ) ১৮৪২ খ্রিস্টাব্দে, ঘ) ১৮৪৪ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- খ) ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে।
১১. ব্রিটিশ কোম্পানির সাথে মারাঠাদের কতবার যুদ্ধ হয়েছিল?
ক) চারবার, খ) তিনবার, গ) দুবার, ঘ) পাঁচবার।
উত্তর- খ) তিনবার।
১২. আহমদ শাহ আবদালী কোন সময় দিল্লি আক্রমণ করেছিলেন?
ক) ১৭৫৬-৫৭, খ) ১৭৬৮-৬৯, গ) ১৭৩৮-৩৯, ঘ) ১৭৫২-৫৩।
উত্তর- ক) ১৭৫৬-৫৭।
১৩. মুর্শিদকুলিকে বাংলার নাজিম পদে নিযুক্ত করেন কে?
ক) ফারুকশিয়র, খ) শাহ আলম, গ) আজিম-উস-শান, ঘ) ঔরঙ্গজেব।
উত্তর- ক) ফারুকশিয়র।
১৪. আহমদ শাহ আবদালী কোন জাতির ছিলেন?
ক) আফগান, খ) মারাঠা, গ) ব্রিটিশ, ঘ) পারসিক।
উত্তর- ক) আফগান।
১৫. আজিম-উস-শান ছিলেন কে?
ক) বাংলার নবাব, খ) অযোধ্যার নবাব, গ) হায়দ্রাবাদের নিজাম, ঘ) মোঘল যুবরাজ।
উত্তর- ঘ) মোঘল যুবরাজ।
১৬. কোন ঘটনার মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সূচনা হয়?
ক) বিদারার যুদ্ধ, খ) দেওয়ানি লাভ, গ) বক্সারের যুদ্ধ, ঘ) পলাশীর যুদ্ধ।
উত্তর- ঘ) পলাশীর যুদ্ধ।
১৭. ঔরঙ্গজেবের আমলে ঢাকার কী নাম ছিল?
ক) আলমগীর নগর, খ) জাহাঙ্গীর নগর, গ) শাহজাহানাবাদ, ঘ) তুমি ভগবান।
উত্তর- খ) জাহাঙ্গীর নগর।
১৮. ভারতের উপর পারসিক আক্রমণ করেছিলেন কে?
ক) নাদির শাহ, খ) চেঙ্গিস খান, গ) আহমদ শাহ আবদালী, ঘ) সফদর জং।
উত্তর- ক) নাদির শাহ।
১৯. মুর্শিদকুলি খান ঔরঙ্গজেবের শাসনামলে বাংলার কী পদে নিযুক্ত ছিলেন?
ক) ফৌজদার, খ) দেওয়ান, গ) জমিদার, ঘ) নবাব।
উত্তর- খ) দেওয়ান।
২০. মুর্শিদকুলি খানের নেতৃত্বে কোন অঞ্চলে আঞ্চলিক শক্তির উত্থান হয়েছিল?
ক) হায়দ্রাবাদ, খ) পাঞ্জাব, গ) অযোধ্যা, ঘ) বাংলা।
উত্তর- ঘ) বাংলা।
২১. লর্ড ওয়েলেসলির গ্রহণকৃত নীতি কোনটি?
(ক) স্বত্ববিলোপ নীতি, (খ) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি, (গ) শ্বেতাঙ্গ নীতি, (ঘ) অন্ধকূপ হত্যা।
উত্তর- (খ) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি।
২২. অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি প্রথম গ্রহণ করেছিল কোন রাজ্য?
(ক) অযোধ্যা, (খ) পাঞ্জাব, (গ) বাংলা, (ঘ) হায়দরাবাদ।
উত্তর- (ঘ) হায়দরাবাদ।
২৩. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান কে ঘটান?
(ক) জন নেপিয়ার, (খ) ওয়ারেন হেস্টিংস, (গ) লর্ড কর্নওয়ালিস, (ঘ) লর্ড ক্যানিং।
উত্তর- (খ) ওয়ারেন হেস্টিংস।
২৪. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
(ক) ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে, (খ) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে, (গ) ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে, (ঘ) ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- (খ) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে।
২৫. দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কার দ্বারা প্রবর্তিত হয়েছিল?
(ক) লর্ড ক্লাইভ, (খ) লর্ড ডাফরিন, (গ) কাটিয়ার, (ঘ) ওয়ারেন হেস্টিংস।
উত্তর- (ক) লর্ড ক্লাইভ।
২৬. এলাহাবাদের প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কার মধ্যে?
(ক) মীরজাফর ও ব্রিটিশ কোম্পানি, (খ) সুজা-উদ্দৌলা ও ব্রিটিশ কোম্পানি, (গ) মীরকাশিম ও ব্রিটিশ কোম্পানি, (ঘ) সাদাত খান ও ব্রিটিশ কোম্পানি।
উত্তর- (খ) সুজা-উদ্দৌলা ও ব্রিটিশ কোম্পানি।
২৭. মহীশূর ও ব্রিটিশদের মধ্যে মোট কতটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল?
(ক) তিনটি, (খ) পাঁচটি, (গ) চারটি, (ঘ) দুটি।
উত্তর- (গ) চারটি।
২৮. সলবাইয়ের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল কত সালে?
(ক) ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে, (খ) ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে, (গ) ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে, (ঘ) ১৭৮০ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- (ক) ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে।
২৯. অযোধ্যা স্ব-শাসিত শক্তি হিসেবে গড়ে ওঠে কত সালে?
(ক) ১৭২৩, (খ) ১৭২৫, (গ) ১৭২২, (ঘ) ১৭২৪।
উত্তর- (গ) ১৭২২।
৩০. ফারুখশিয়ারের ফরমান অনুযায়ী, ব্রিটিশ কোম্পানি কলকাতার পাশে কতটি গ্রাম ক্রয়ের অধিকার পেয়েছিল?
(ক) ৩৮টি, (খ) ৪২টি, (গ) ৩৬টি, (ঘ) ৪০টি।
উত্তর- (গ) ৩৬টি।
৩১. ফারুখশিয়র ফরমান জারি করেছিলেন কত সালে?
(ক) ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে, (খ) ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে, (গ) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে, (ঘ) ১৭১০ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- (খ) ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে।
৩২. হায়দরাবাদ স্বাধীন রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল কত সালে?
(ক) ১৭৪৬ খ্রিস্টাব্দে, (খ) ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে, (গ) ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে, (ঘ) ১৭৪৭ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- (গ) ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে।
৩৩. হায়দরাবাদ রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কত সালে?
(ক) ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে, (খ) ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে, (গ) ১৭৪৯ খ্রিস্টাব্দে, (ঘ) ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে।
উত্তর- (খ) ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে।
৩৪. ইস্ট ইন্ডিয়া হাউস কোন শহরে অবস্থিত?
(ক) রাশিয়া, (খ) লন্ডন, (গ) দিল্লি, (ঘ) প্যারিস।
উত্তর- (খ) লন্ডন।
৩৫. আলীবর্দী খানের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
(ক) মুর্শিদকুলি খান, (খ) মীরজাফর, (গ) সিরাজউদ্দৌলা, (ঘ) আলীবর্দী খান।
উত্তর- (খ) মীরজাফর।
৩৬. ১৭৫৬ সালে বাংলার নবাব হিসেবে কে দায়িত্ব গ্রহণ করেন?
(ক) মীর মদন, (খ) মীরজাফর, (গ) সিরাজউদ্দৌলা, (ঘ) মীরকাশিম।
উত্তর- (গ) সিরাজউদ্দৌলা।
৩৭. ব্রিটিশদের কাছ থেকে কলকাতা দখল করেছিলেন সিরাজউদ্দৌলা কোন খ্রিস্টাব্দে?
(ক) ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জুন, (খ) ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন, (গ) ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন, (ঘ) ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৮ জুন।
উত্তর- (খ) ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন।
৩৮. সিরাজউদ্দৌলা কলকাতার নতুন নাম কী দিয়েছিলেন?
(ক) আলিপুর, (খ) আলিগঞ্জ, (গ) আলীনগর, (ঘ) আলিবাদ।
উত্তর- (গ) আলীনগর।
৩৯. অন্ধকূপ হত্যার ঘটনা প্রচারের জন্য দায়ী কে?
(ক) ড্রেক, (খ) মীর মদন, (গ) হলওয়েল, (ঘ) ওয়াটসন।
উত্তর- (গ) হলওয়েল।
৪০. নবাব হওয়ার জন্য মীরকাশিম কোম্পানিকে কত টাকা প্রদান করেছিলেন?
(ক) ২৯ লক্ষ, (খ) ৩০ লক্ষ, (গ) ২৭ লক্ষ, (ঘ) ২৮ লক্ষ।
উত্তর- (ক) ২৯ লক্ষ।
৪১. কাটোয়ার যুদ্ধে মীরকাসিম কার কাছে পরাজিত হন?
(ক) মীরজাফর (খ) ব্রিটিশ কোম্পানি (গ) নিজাম উল মুলক (ঘ) সাদাত খান।
উত্তর- (খ) ব্রিটিশ কোম্পানি।
৪২. কোন নবাব বণিকদের উপর থেকে বাণিজ্য শুল্ক তুলে দেন?
(ক) মীরজাফর (খ) মীরকাসিম (গ) ফারুকশিয়ার (ঘ) আলীবর্দী খান।
উত্তর- (খ) মীরকাসিম।
৪৩. মীরকাসিম কত লক্ষ টাকার বিনিময়ে বাংলার নবাব হন?
(ক) ৩০ লক্ষ (খ) ২৯ লক্ষ (গ) ২৮ লক্ষ (ঘ) ৪০ লক্ষ।
উত্তর- (খ) ২৯ লক্ষ।
৪৪. পলাশীর যুদ্ধে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল কে?
(ক) মোহনলাল (খ) মীরজাফর (গ) মদন লাল (ঘ) মীরকাসিম।
উত্তর- (খ) মীরজাফর।
৪৫. ব্রিটিশ কোম্পানি বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার জন্য কী সুবিধা পায়?
(ক) জায়গীর (খ) দস্তক (গ) টাকা (ঘ) ওয়াজির।
উত্তর- (খ) দস্তক।
৪৬. ফারুকশিয়ারের ফরমানের মাধ্যমে বাণিজ্যিক অধিকার পেয়েছিল কারা?
(ক) ইংরেজরা (খ) ওলন্দাজরা (গ) ফরাসিরা (ঘ) আফগানরা।
উত্তর- (ক) ইংরেজরা।
৪৭. সুজাউদ্দৌলা কত সালে অযোধ্যার শাসক হন?
(ক) ১৭৫৬ (খ) ১৭৫৪ (গ) ১৭৬৪ (ঘ) ১৭৬৫।
উত্তর- (খ) ১৭৫৪।
৪৮. বাংলায় ব্যাপক লুটপাট চালিয়েছিল কারা?
(ক) তুর্কিরা (খ) পারসিকরা (গ) বর্গীরা (ঘ) আফগানরা।
উত্তর- (গ) বর্গীরা।
৪৯. আলীবর্দী খান কত সালে মারা যান?
(ক) ১৭৫৯ (খ) ১৭৫৬ (গ) ১৭৬০ (ঘ) ১৭০০।
উত্তর- (খ) ১৭৫৬।
৫০. মোগল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের মৃত্যু হয়েছিল কত সালে?
(ক) ১৭০৭ (খ) ১৭১৭ (গ) ১৭০০ (ঘ) ১৭১০।
উত্তর- (ক) ১৭০৭।
৫১. কোন ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধের মাধ্যমে পাঞ্জাব কোম্পানির অধিকারে আসে?
(ক) তৃতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (খ) দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (গ) প্রথম ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ (ঘ) চতুর্থ ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ।
উত্তর- (খ) দ্বিতীয় ইঙ্গ-শিখ যুদ্ধ।
৫২. দ্বিতীয় বাজিরাও ছিলেন মারাঠাদের-
(ক) পঞ্চম পেশোয়া (খ) শেষ পেশোয়া (গ) প্রথম পেশোয়া (ঘ) চতুর্থ পেশোয়া।
উত্তর- (খ) শেষ পেশোয়া।
৫৩. লাহোরের চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
(ক) ১৮৪৪ (খ) ১৮৪৫ (গ) ১৮৪৬ (ঘ) ১৮৪৭।
উত্তর- (গ) ১৮৪৬।
৫৪. তৃতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধকালে পেশোয়া হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন কে?
(ক) প্রথম বালাজি বাজিরাও (খ) নারায়ণ রাও (গ) দ্বিতীয় বাজিরাও (ঘ) বালাজি বিশ্বনাথ।
উত্তর- (গ) দ্বিতীয় বাজিরাও।
৫৫. জগৎশেঠ উপাধি পেয়েছিলেন কে?
(ক) রায়দুর্লভ (খ) উর্মি চাঁদ (গ) ফতেহ চাঁদ (ঘ) মানিক চাঁদ।
উত্তর- (গ) ফতেহ চাঁদ।
৫৬. ‘মহারাষ্ট্র পুরাণ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
(ক) বলরাম (খ) গঙ্গারাম (গ) তুকারাম (ঘ) ফেলুরম।
উত্তর- (খ) গঙ্গারাম।
৫৭. কাটরা মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন কে?
(ক) মুর্শিদকুলি খান (খ) আলি কুলি বেগ (গ) আলীবর্দী খান (ঘ) মীরজাফর।
উত্তর- (ক) মুর্শিদকুলি খান।
৫৮. ভারতে ফরাসিদের মূল বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোনটি ছিল?
(ক) আগ্রা ও দিল্লি (খ) সুরাট ও দিউ (গ) চন্দননগর ও পন্ডিচেরি (ঘ) আগ্রা ও দি।
উত্তর- (গ) চন্দননগর ও পন্ডিচেরি।
৫৯. টিপু সুলতানের রাজধানীর নাম কী ছিল?
(ক) ঢাকা (খ) ম্যাঙ্গালোর (গ) ত্রিবাঙ্কুর (ঘ) শ্রীরঙ্গপত্তম।
উত্তর- (ঘ) শ্রীরঙ্গপত্তম।
৬০. স্বেচ্ছায় অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি গ্রহণ করেছিলেন কে?
(ক) হায়দার আলী (খ) মুর্শিদকুলি খান (গ) নিজাম (ঘ) শাদাত খান।
উত্তর- (গ) নিজাম।
✍️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
১. মুর্শিদাবাদের বিখ্যাত মূলধন বিনিয়োগকারী কে ছিলেন?
উত্তর: জগতশেঠ।
২. মুঘল আমলের একজন হিন্দু ব্যবসায়ী এবং একজন আর্মেনীয় ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করুন।
উত্তর:
- হিন্দু ব্যবসায়ী - উমিচাদ
- আর্মেনীয় ব্যবসায়ী - খোজা ওয়াজিদ।
৩. খেলাৎ কী ছিল?
উত্তর: মুঘলদের উজ্জ্বল সম্মানসূচক পোশাক।
৪. ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে ঢাকাকে কী নামে অভিহিত করা হত?
উত্তর: জাহাঙ্গীরনগর।
৫. বাংলার আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে উত্থান কার নেতৃত্বে ঘটে?
উত্তর: মুর্শিদকুলি খানের নেতৃত্বে।
৬. মুর্শিদকুলি খানকে বাংলার নাজিম পদ কত সালে প্রদান করা হয়?
উত্তর: ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে ফারুখশিয়র।
৭. মুর্শিদকুলি খানকে বাংলার দেওয়ান পদে স্থায়ী করেন কে?
উত্তর: ফারুখশিয়র।
৮. ঔরঙ্গজেবের শাসনকালে বাংলার দেওয়ান কে ছিলেন?
উত্তর: মুর্শিদকুলি খান।
৯. আঞ্চলিক শক্তিগুলির মধ্যে প্রধান তিনটি শক্তি কোনগুলি ছিল?
উত্তর: বাংলা, হায়দ্রাবাদ, এবং অযোধ্যা।
১০. কত সালে এবং কার নেতৃত্বে আফগান আক্রমণ হয়?
উত্তর: ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে আফগান নেতা আহমদ শাহ আবদালির নেতৃত্বে।
১১. কত সালে এবং কোন নেতার অধীনে পারসিক আক্রমণ ঘটে?
উত্তর: ১৭৩৮ খ্রিস্টাব্দে নাদির শাহের নেতৃত্বে।
১২. ঔরঙ্গজেব কত সালে মারা যান?
উত্তর: ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে।
১৩. মহম্মদ শাহ সাদাৎ খানকে কোন উপাধি প্রদান করেছিলেন?
উত্তর: বুরহান উল মূলক।
১৪. কত খ্রিস্টাব্দে এবং কার নেতৃত্বে অযোধ্যা আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?
উত্তর: ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে সাদাৎ খানের নেতৃত্বে।
১৫. কত খ্রিস্টাব্দে স্বাধীন হায়দ্রাবাদ রাজ্যের আত্মপ্রকাশ ঘটে?
উত্তর: ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে।
১৬. হায়দ্রাবাদ রাজ্যটি কে এবং কখন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
উত্তর: ১৭২৪ খ্রিস্টাব্দে মির কামারউদ্দিন সিদ্দিকি বা আসফ ঝা।
১৭. মির কামারউদ্দিন খান সিদ্দিকি ফারুখশিয়র এবং মহম্মদ শাহের কাছ থেকে কোন কোন উপাধি পেয়েছিলেন?
উত্তর:
- ফারুখশিয়রের কাছ থেকে - নিজাম উল মূলক।
- মহম্মদ শাহের কাছ থেকে - আসফ ঝা।
১৮. সম্রাট ঔরঙ্গজেব কাকে 'চিন কুলিচ খান' উপাধি প্রদান করেছিলেন?
উত্তর: মির কামারউদ্দিন খান সিদ্দিকিকে।
১৯. কাদের বাংলা আক্রমণ 'বর্গিহানা' নামে পরিচিত?
উত্তর: মারাঠাদের।
২০. কোন নবাবের সময় বর্গি আক্রমণ হয়েছিল?
উত্তর: আলিবর্দি খানের সময়।
২১. মুঘল শাসনের শেষ দিকে কার আক্রমণ বেড়ে গিয়েছিল?
উত্তর: মারাঠাদের।
২২. মুর্শিদকুলি খানের শাসনকালে কোন তিনটি বাণিজ্যিক কোম্পানি বাংলায় সবচেয়ে শক্তিশালী ছিল?
উত্তর: ব্রিটিশ, ওলন্দাজ এবং ফরাসি কোম্পানি।
২৩. মুর্শিদকুলি খানের মৃত্যু কবে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দে।
২৪. কাটরা মসজিদ কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?
উত্তর: মুর্শিদকুলি খান।
২৫. কাদের বণিকদের রাজা বলা হতো?
উত্তর: বাংলার বণিকদের।
২৬. বাংলার কোষাগার এবং টাঁকশাল কার অধীনে পরিচালিত হত?
উত্তর: জগতশেঠের অধীনে।
২৭. সিরাজ উদ দৌল্লা কবে ব্রিটিশদের পরাজিত করে কলকাতা দখল করেছিলেন এবং কলকাতার নাম কি রেখেছিলেন?
উত্তর: ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুন। তিনি কলকাতার নাম রাখেন আলিনগর।
২৮. সিরাজ উদ দৌল্লা বাংলার নবাব কবে হন?
উত্তর: ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
২৯. আলিবর্দি খানের মৃত্যুর পর বাংলার নবাব কে হয়েছিলেন?
উত্তর: সিরাজ উদ দৌল্লা।
৩০. আলিবর্দি খানের মৃত্যু কবে হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
৩১. আলিবর্দি খানের বক্সি বা সেনাপতি কে ছিলেন?
উত্তর: মীরজাফর।
৩২. অষ্টাদশ শতকের সুবা বাংলার সেনাপতিকে আর কি বলা হত?
উত্তর: বক্সি।
৩৩. মারাঠা আক্রমণের সময় আলিবর্দি খান ব্রিটিশ কোম্পানির কাছ থেকে কত টাকা দাবি করেছিলেন?
উত্তর: ৩০ লক্ষ টাকা।
৩৪. 'বণিকদের দুর্গের কি প্রয়োজন' একথাটি কে বলেছিলেন?
উত্তর: আলিবর্দি খান।
৩৫. ইস্ট ইন্ডিয়া হাউস কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: লন্ডনে।
৩৬. কত টাকার বিনিময়ে ইংরেজ কোম্পানি বাংলায় বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার পেয়েছিল?
উত্তর: বার্ষিক ৩ হাজার টাকার বিনিময়ে।
৩৭. ফারুখশিয়রের ফরমান অনুযায়ী ব্রিটিশ কোম্পানি বাংলার কতটি গ্রাম কিনে নেওয়ার অধিকার পেয়েছিল?
উত্তর: ৩৮ টি গ্রাম।
৩৮. ফারুখশিয়রের ফরমান অনুযায়ী কোন প্রতিষ্ঠান পণ্যের উপর শুল্ক ছাড় পেয়েছিল?
উত্তর: ব্রিটিশ কোম্পানি।
৩৯. ফারুখশিয়রের ফরমান কবে জারি করা হয়েছিল?
উত্তর: ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে।
৪০. বক্সারের যুদ্ধের সময় মুঘল সম্রাট কে ছিলেন?
উত্তর: দ্বিতীয় শাহ আলম।
৪১. কত খ্রিস্টাব্দে কাদের মধ্যে বক্সারের যুদ্ধ হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে, অযোধ্যার শাসক সুজা উদ দৌল্লা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং মিরকাশিমের যৌথ বাহিনীর বিরুদ্ধে ইংরেজ কোম্পানির সাথে বক্সারের যুদ্ধ হয়।
৪২. মিরকাশিম ব্রিটিশদের কাছে পরাজিত হয়ে কোথায় পালিয়ে যান?
উত্তর: অযোধ্যায়।
৪৩. কত খ্রিস্টাব্দে মিরকাশিমের সঙ্গে ব্রিটিশ কোম্পানির সংঘাত শুরু হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে।
৪৪. মিরকাশিম বাংলার নতুন রাজধানী হিসেবে কোন অঞ্চলকে নির্বাচিত করেছিলেন?
উত্তর: মুঙ্গের।
৪৫. মিরকাশিম ব্রিটিশ কোম্পানিকে কোন কোন স্থানে জমিদারি অধিকার দিয়েছিলেন?
উত্তর: বর্ধমান, মেদিনীপুর এবং চট্টগ্রাম।
৪৬. মিরকাশিম নবাব পদ পাওয়ার জন্য ব্রিটিশ কোম্পানিকে কত টাকা দিয়েছিলেন?
উত্তর: ২৯ লক্ষ টাকা।
৪৭. মীরজাফরের পর বাংলার নবাব হিসেবে কে স্থায়ী হন?
উত্তর: মীরজাফরের জামাতা মিরকাশিম।
৪৮. পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলার নবাব হিসেবে কে নির্বাচিত হয়েছিলেন?
উত্তর: মীরজাফর।
৪৯. কত খ্রিস্টাব্দে কোন যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উত্থান হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের মাধ্যমে।
৫০. হলওয়েলের বর্ণনা অনুযায়ী, সিরাজ উদ দৌল্লা কতজন ব্রিটিশ পুরুষ ও নারীদের একটি ঘরে বন্দি করে রেখেছিলেন?
উত্তর: ১৪৬ জন।
৫১. অন্ধকূপ হত্যার ঘটনা কে প্রচার করেছিলেন?
উত্তর: হলওয়েল।
৫২. আলিনগরের সন্ধি কাদের মধ্যে হয়েছিল?
উত্তর: নবাব সিরাজ উদ দৌল্লা এবং ব্রিটিশ কোম্পানির মধ্যে।
৫৩) মহীশুর শার্দুল কাকে বলা হত? তার রাজধানী কোথায় ছিল?
উত্তর: টিপু সুলতানকে মহীশুর শার্দুল বলা হত। তার রাজধানী ছিল শ্রীরঙ্গপত্তমে।
৫৪) কোন যুদ্ধের মাধ্যমে লর্ড ওয়েলেসলি মহীশুর রাজ্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আঘাত আনেন?
উত্তর: ১৭৯৯ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশুর যুদ্ধের মাধ্যমে।
৫৫) ইংরেজ কোম্পানি এবং মহীশুরের মধ্যে কতটি যুদ্ধ হয়েছিল?
উত্তর: চারটি।
৫৬) অষ্টাদশ শতকে মহীশুর দক্ষিণ ভারতের অন্যতম শক্তিশালী রাজ্য হয়ে ওঠে কাদের নেতৃত্বে?
উত্তর: হায়দার আলি এবং টিপু সুলতানের নেতৃত্বে।
৫৭) মহীশুরের শাসক কে অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির বিরোধিতা করেছিলেন?
উত্তর: টিপু সুলতান।
৫৮) স্বেচ্ছায় অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি মেনে নিয়েছিলেন কে?
উত্তর: হায়দ্রাবাদের নিজাম।
৫৯) অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি কে প্রবর্তন করেন?
উত্তর: লর্ড ডালহৌসি।
৬০) ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কত খ্রিস্টাব্দে ঘটে?
উত্তর: ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে।
৬১) বক্সারের যুদ্ধের পর ইংরেজ কোম্পানি কোথায় নিজেদের প্রতিনিধি বা রেসিডেন্ট নিয়োগ করেছিল?
উত্তর: বাংলা, অযোধ্যা এবং হায়দ্রাবাদে।
৬২) ভারতের দেশীয় রাজদরবারে কোম্পানির প্রতিনিধিদের কি নাম ছিল?
উত্তর: রেসিডেন্ট।
৬৩) কে এবং কত খ্রিস্টাব্দে দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান?
উত্তর: ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে, ওয়ারেন হেস্টিংস।
৬৪) দ্বৈত শাসন প্রবর্তন কে করেন?
উত্তর: লর্ড ক্লাইভ।
৬৫) দেওয়ানি অধিকার দেওয়ার বিনিময়ে ব্রিটিশ কোম্পানি মুঘল সম্রাটকে কত টাকা দিতে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন?
উত্তর: বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকা।
৬৬) ব্রিটিশ কোম্পানিকে বাংলা, বিহার এবং উড়িষ্যার দেওয়ানি অধিকার কে কত খ্রিস্টাব্দে প্রদান করেন?
উত্তর: ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম।
৬৭. গ্রন্থগুলির রচয়িতা কে?
উত্তর:
• মুর্শিদকুলি খাঁর অভ্যুদয়, বর্গীর হাঙ্গামা - যদুনাথ সরকার।
• মহারাষ্ট্র পুরাণ - বাঙালী কবি গঙ্গারাম।
• সিরাজ উদ দৌল্লা, মন্বন্তর - অক্ষয়কুমার মৈত্র।
৬৮. ডালহৌসি কুশাসনের অজুহাতে কোন রাজ্যটি দখল করেছিলেন?
উত্তর: সাতারা রাজ্য।
৬৯. কোন দেশীয় রাজ্যে সর্বপ্রথম স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করা হয়েছিল?
উত্তর: সাতারা রাজ্যে।
৭০. স্বত্ববিলোপ নীতি কে প্রবর্তন করেছিলেন?
উত্তর: লর্ড ডালহৌসি।
৭১. লাহোরের চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটিশ কর্তৃত্ব কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: জলন্ধর দোয়াবে।
৭২. লাহোরের চুক্তি কত খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ কোম্পানি এবং শিখদের মধ্যে হয়?
উত্তর: ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে।
৭৩. ইংরেজ কোম্পানি এবং মারাঠাদের কতটি যুদ্ধ হয়েছিল?
উত্তর: তিনটি।
৭৪. কত খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ কোম্পানি এবং দ্বিতীয় বাজিরাও এর মধ্যে বেসিনের সন্ধি সাক্ষরিত হয়?
উত্তর: ১৮০২ খ্রিস্টাব্দে।
৭৫. শেষ মারাঠা পেশোয়া কে ছিলেন?
উত্তর: দ্বিতীয় বাজিরাও।
৭৬. কত খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ কোম্পানি এবং মারাঠাদের মধ্যে সলবাইয়ের চুক্তি হয়েছিল?
উত্তর: ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে।
৭৭. কত খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ কোম্পানি ও ফরাসিদের মধ্যে বন্দিবাসের যুদ্ধ হয়?
উত্তর: ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে।
৭৮. জেনারেল দুপ্লে কে ছিলেন?
উত্তর: পন্ডিচেরীর ফরাসি গভর্নর।
৭৯. ভারতে ফরাসিদের গুরুত্বপূর্ণ দুটি কেন্দ্রের নাম লিখুন।
উত্তর: চন্দননগর ও পন্ডিচেরী।
৮০. করমন্ডল উপকূল এবং তার পশ্চাদভূমিকে ইউরোপীয়রা কী নাম দিয়েছিল?
উত্তর: কর্ণাটিক।
✍️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২):
১. পেশোয়াতন্ত্র কী?
উঃ প্রথম পেশোয়া বালাজি বিশ্বনাথ মারাঠা রাজা শাহুর কাছ থেকে এমন একটি আদেশনামা লাভ করেন, যাতে বলা হয় যে তাঁর বংশধররাই মারাঠা সাম্রাজ্যের পেশোয়া বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাবেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পেশোয়ারা কেবল প্রশাসনিক প্রধানই নয়, বরং সাম্রাজ্যের রক্ষা ও সম্প্রসারণের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠেন। এই শাসনব্যবস্থাই পেশোয়াতন্ত্র নামে পরিচিত।
২. কাদের মধ্যে বন্দিবাসের যুদ্ধে ঘটেছিল এবং এর গুরুত্ব কী?
উঃ ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দে কর্ণাটকের বন্দিবাসে ইংরেজ ও ফরাসি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এই যুদ্ধে ইংরেজরা বিজয় লাভ করলে ভারতে বাণিজ্য ক্ষেত্রে তাদের আধিপত্য সুসংহত হয়। এর ফলে ফরাসিসহ অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তির রাজনৈতিক প্রভাব প্রায় শেষ হয়ে যায়।
৩. পলাশির লুণ্ঠন বলতে কী বোঝায়?
উঃ ১৭৫৭ সালের পলাশির যুদ্ধের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি মিরজাফরের কাছ থেকে নানা উপায়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ আদায় করে। কোম্পানির এই অর্থলাভ ও সম্পদ লুণ্ঠনের ঘটনাকে পলাশির লুণ্ঠন বলা হয়।
৪. ‘দস্তক’ কী এবং এর গুরুত্ব কী ছিল?
উঃ 'দস্তক' বলতে বিনাশুল্কে বাণিজ্যের জন্য অনুমোদিত ছাড়পত্র বোঝায়। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুঘল সম্রাট ফারুকশিয়র ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এই বিশেষ ছাড়পত্র প্রদান করেন, যার ফলে কোম্পানি বাংলায় করমুক্ত বাণিজ্য চালানোর সুবিধা পায়।
৫. সিরাজ-উদ-দৌলা কবে এবং কীভাবে বাংলার নবাব হন?
উঃ ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে সিরাজ-উদ-দৌলা বাংলার নবাব হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। তিনি নবাব আলিবর্দি খানের কন্যা আমিনা বেগমের পুত্র এবং আলিবর্দির মনোনীত উত্তরাধিকারী ছিলেন। নবাবের মৃত্যুর পর তিনি বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
৬. নাদির শাহ ভারত আক্রমণ করেছিলেন কবে এবং কী কারণে?
উঃ ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে পারস্যের শাসক নাদির শাহ ভারত আক্রমণ করেন। মুঘল সাম্রাজ্যের দুর্বলতা, পারস্যের দূতকে আটক রাখার ঘটনা এবং দিল্লির অপরিসীম ধনসম্পদ লুণ্ঠনের আকাঙ্ক্ষা ছিল এই আক্রমণের প্রধান কারণ।
৭. দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বলতে কী বোঝায়?
উঃ ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার রাজস্ব ও প্রশাসনিক ক্ষমতা পেলেও আইনশৃঙ্খলার দায়িত্ব নবাবের হাতে থাকে। এতে নবাব রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েন, আর কোম্পানি দায়িত্ব ছাড়াই অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এই শাসনব্যবস্থাকে দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বলা হয়।
৮. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর কাকে বলে?
উঃ ১৭৬৫ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত দ্বৈত শাসনের ফলে কৃষকদের ওপর রাজস্বের অত্যধিক চাপ সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যে ১৭৭০ সালে বাংলায় এক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়, যাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ মৃত্যুবরণ করে। বঙ্গাব্দের হিসেবে এটি ১১৭৬ সাল হওয়ায় একে ‘৭৬-এর মন্বন্তর বলা হয়।
৯. সলবাই-এর সন্ধি কবে, কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এর একটি ফলাফল কী?
উঃ ১৭৮২ সালে মারাঠা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে সলবাই-এর সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে মারাঠারা পুনরায় ক্ষমতা অর্জন করে এবং ব্রিটিশরা বোম্বাই অঞ্চলে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করে। এই সন্ধির মাধ্যমে প্রথম আঙ্গলো-মারাঠা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।
১০. বেসিন-এর সন্ধি কবে, কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এর একটি ফলাফল কী?
উঃ ১৮০২ সালে মারাঠা পেশোয়া বাজিরাও দ্বিতীয় ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে বেসিন-এর সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। এই সন্ধির ফলে ব্রিটিশরা পেশোয়াকে সামরিক সহায়তা প্রদান করে, যা মারাঠা শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। এটি ভারতে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
১১. লাহোর-এর সন্ধি কবে, কার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং এর একটি ফলাফল কী?
উঃ ১৮৪৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও শিখ সাম্রাজ্যের মধ্যে লাহোর-এর সন্ধি স্বাক্ষরিত হয়। এর ফলে শিখ সাম্রাজ্যের বিশাল অংশ ব্রিটিশদের অধীনে চলে যায় এবং জম্মু ও কাশ্মীর গুলাব সিংয়ের কাছে হস্তান্তরিত হয়। এই সন্ধি শিখ শক্তির দুর্বলতার সূচনা করে।
১২. ‘অন্ধকূপ হত্যা’ কী ছিল?
উঃ হলওয়েলের বিবরণ অনুযায়ী, কলকাতা দখলের পর সিরাজ-উদ-দৌলা ১৪৬ জন ব্রিটিশ নাগরিককে একটি সংকীর্ণ কক্ষে বন্দি করেন, যেখানে শ্বাসরোধ ও গরমে অনেকের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনাই ‘অন্ধকূপ হত্যা’ নামে পরিচিত হয়, তবে অনেক ইতিহাসবিদ একে অতিরঞ্জিত বিবরণ বলে মনে করেন। অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় প্রমাণ করেছিলেন যে হলওয়েলের বক্তব্য বাস্তবতার চেয়ে অনেক বেশি অতিরঞ্জিত ছিল।
✍️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৩):
১. ব্রিটিশ কোম্পানি কীভাবে দেওয়ানির অধিকার লাভ করে?
উঃ বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বিজয়ী হওয়ার পর তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদে কোম্পানি মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম ও নবাব সুজা-উদ-দৌলার সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানির অধিকার কোম্পানিকে প্রদান করা হয়। সম্রাট শাহ আলম এর বিনিময়ে ব্রিটিশদের কাছ থেকে বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকা লাভ করেন। এই দেওয়ানি পাওয়ার ফলে কোম্পানি রাজস্ব আদায়ের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়।
২. স্বত্ববিলোপ নীতি কীভাবে কোম্পানির শাসন বিস্তারে সহায়ক হয়?
উঃ লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিস্তার ঘটান। এই নীতির অধীনে যেসব শাসকের পুত্র উত্তরাধিকারী ছিল না, তাদের রাজ্য ব্রিটিশদের অধীনে চলে যেত। এই নীতির ফলে সাতারা, সম্বলপুর, ঝাঁসি, উদয়পুরসহ বিভিন্ন রাজ্য ব্রিটিশ দখলে আসে। সেনাবাহিনীর ব্যয় মেটানোর জন্য হায়দরাবাদের বেরার প্রদেশ সংযুক্ত করা হয়। ১৮৫৭ সালের পূর্বে ভারতীয় ভূখণ্ডের বিশাল অংশ এই নীতির মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অন্তর্ভুক্ত হয়।
৩. অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি সম্পর্কে টীকা লেখ।
উঃ লর্ড ওয়েলেসলি কর্তৃক প্রবর্তিত অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের একটি কৌশল। এই নীতির মাধ্যমে দেশীয় রাজ্যগুলোর স্বাধীনতা সংকুচিত হয়ে ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। হায়দরাবাদের নিজাম স্বেচ্ছায় এই নীতি গ্রহণ করলেও টিপু সুলতান প্রতিরোধ করেন এবং যুদ্ধে পরাজিত হন। মারাঠা ও শিখদের মতো অন্যান্য শক্তির ক্ষেত্রেও এই নীতি কার্যকর করা হয়। ব্রিটিশরা এই নীতিকে ব্যবহার করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের রাজনৈতিক ক্ষমতা দুর্বল করে দেয়।
৪. ফারুখশিয়ারের ফরমানের গুরুত্ব কী ছিল?
উঃ ফারুখশিয়ারের ফরমানের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলায় বাণিজ্যের বিশেষ সুবিধা লাভ করে। কোম্পানি বার্ষিক মাত্র তিন হাজার টাকা কর দিয়ে বাংলায় ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি পায়। কলকাতার নিকটে ৩৮টি গ্রাম কেনার অধিকার ব্রিটিশদের দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদের টাঁকশাল ব্যবহারের সুবিধা দেওয়া হয়। এছাড়া, বিনা শুল্কে ব্যবসার অনুমতি কোম্পানিকে একটি বিশাল বাণিজ্যিক সুবিধা প্রদান করে।
৫. হায়দরাবাদে আঞ্চলিক শাসন কে, কীভাবে এবং কবে প্রতিষ্ঠা করেন?
উঃ মুঘল দরবারের প্রভাবশালী অভিজাত নেতা মির কামারউদ্দিন খান সিদ্দিকি হায়দরাবাদে স্বাধীন শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তখন হায়দরাবাদের মুঘল সুবাদার ছিলেন মুবারিজ খান। ১৭২৩ সালে কামারউদ্দিন খান মুবারিজ খানের বিরুদ্ধে লড়াই করে তাকে পরাজিত করেন। এই বিজয়ের মাধ্যমে তিনি হায়দরাবাদের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। পরে, তিনি নিজেকে হায়দরাবাদের প্রথম নিজাম হিসেবে ঘোষণা করেন।
৬. ব্রিটিশ রেসিডেন্টদের কাজগুলি লেখ।
উঃ ব্রিটিশ কোম্পানি ভারতে বিভিন্ন রাজ্যের রাজদরবারে যে প্রতিনিধিদের পাঠাতো, তাদেরকেই রেসিডেন্ট বলা হতো। রেসিডেন্টদের প্রধান কাজ ছিল—
প্রথমত, কোম্পানির পরোক্ষ শাসন ব্যবস্থায় সহায়তা প্রদান করা।
দ্বিতীয়ত, কোম্পানির ব্যবসায়িক স্বার্থের রক্ষা করা।
তৃতীয়ত, ভারতীয় রাজশক্তিগুলির কোম্পানি-বিরোধী কার্যকলাপ সম্পর্কে নজরদারি করা।
চতুর্থত, ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা এবং শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করা।
৭. পলাশির যুদ্ধ এবং বক্সারের যুদ্ধের মৌলিক পার্থক্য কী ছিল?
উঃ পলাশির যুদ্ধ এবং বক্সারের যুদ্ধের মধ্যে প্রধান পার্থক্য ছিল—
প্রথমত, বক্সারের যুদ্ধ ছিল পলাশির যুদ্ধের তুলনায় একটি বাস্তব যুদ্ধ, যেখানে ইংরেজরা ভারতীয় যৌথ বাহিনীকে পরাজিত করে।
দ্বিতীয়ত, পলাশির যুদ্ধে বাংলার নবাব পরাজিত হন, তবে বক্সারের যুদ্ধে বাংলা, অযোধ্যা ও মুঘল সম্রাটের যৌথ বাহিনী পরাজিত হয়, ফলে ইংরেজ কোম্পানি বাংলা থেকে দিল্লি পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে।
তৃতীয়ত, বক্সারের যুদ্ধে ইংরেজদের সামরিক শক্তি ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণিত হয়।
✍️রচনাধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৫):
১. ইংরেজদের সঙ্গে সিরাজের বিরোধের ৫টি কারণ আলোচনা করো।
উত্তর:
প্রথমত, ইংরেজরা সিরাজের অনুমতি ছাড়া কলকাতায় দূর্গ নির্মাণ করে, যা নবাবের ক্ষমতা কমানোর চেষ্টা ছিল।
দ্বিতীয়ত, ইংরেজরা বাংলার রাজস্ব ব্যবস্থা ও শাসনব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করেছিল, যা সিরাজের জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
তৃতীয়ত, ইংরেজরা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে জড়িয়ে পড়ে এবং তার সেনাপতি ও মন্ত্রীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল।
চতুর্থত, সিরাজ-উদ-দোলা ইংরেজদের অবাধ বাণিজ্যিক সুবিধা দেওয়ার কারণে ক্ষুব্ধ ছিলেন, কারণ এটি তার রাজস্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল।
পঞ্চমত, সিরাজ মনে করতেন যে ইংরেজরা তার রাজ্যের স্বাধীনতা ও সমগ্র ভারতে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তারের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে।
২. মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর:
প্রথমত, সম্রাটদের অক্ষমতা এবং দুর্বল নেতৃত্ব মুঘল সাম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারণ ছিল।
দ্বিতীয়ত, রাজস্ব ব্যবস্থা ও শাসন ব্যবস্থার অদক্ষতা এবং দুর্নীতি সাম্রাজ্যের অর্থনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করে তোলে।
তৃতীয়ত, রাজ্যে অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ এবং বিচ্ছিন্নতা, বিশেষ করে রাজকীয় পরিবারের মধ্যে ক্ষমতার লড়াই ছিল একটি বড় সমস্যা।
চতুর্থত, সাম্রাজ্যের সীমানায় বিভিন্ন আঞ্চলিক শক্তির উত্থান, যেমন মহীশূর, মারাঠা, এবং শিখরা মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল।
পঞ্চমত, ইংরেজদের বাণিজ্যিক এবং সামরিক ক্ষমতার বৃদ্ধি এবং তাদের দ্বারা স্থানীয় রাজাদের সঙ্গে সহযোগিতা মুঘল সাম্রাজ্যের পতনে সহায়ক ছিল।
<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>>>>>
👉For pdf whatsapp-8250978714
