🌹ষষ্ঠ শ্রেণির পরিবেশ বিজ্ঞান প্রশ্নোত্তর::অধ্যায়-১:পরিবেশ ও জীবজগতের পারস্পরিক নির্ভরতা।🌹

 

️বিকল্পধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):

🔷 ১. গাজরের কোন অংশ আমরা খাবার হিসেবে গ্রহণ করি?

(ক) কাণ্ড | (খ) ফল | (গ) মূল | (ঘ) পাতা।
উত্তর: (গ) মূল।

🔷 ২. আদা উদ্ভিদের কোন অংশ?
(ক) মূল | (খ) কাণ্ড | (গ) ফুল | (ঘ) পাতা।
উত্তর: (খ) কাণ্ড।

🔷 ৩. পাখি বাসা তৈরির জন্য মূলত উদ্ভিদের কোন অংশ সংগ্রহ করে?
(ক) কাণ্ড ও পাতা | (খ) শুকনো ডাল ও খড় | (গ) ফুল ও ফল | (ঘ) আঠা ও রজন।
উত্তর: (খ) শুকনো ডাল ও খড়।

🔷 ৪. পাহাড়ী অঞ্চলে যেখানে বেশি ভূমিকম্প হয় সেখানে কী দিয়ে বাড়ি তৈরি করা রীতি?
(ক) লোহা | (খ) ইট | (গ) কাঠ | (ঘ) পাথর।
উত্তর: (গ) কাঠ।

🔷 ৫. সুতোর চেয়েও যে সব সরু অংশ কাপড় তৈরিতে ব্যবহৃত হয় তাদের কী বলে?
(ক) কাপড় | (খ) দড়ি | (গ) তন্তু | (ঘ) রজন।
উত্তর: (গ) তন্তু।

🔷 ৬. চটের বস্তা বা ব্যাগ তৈরির জন্য কোন উদ্ভিদের তন্তু ব্যবহার করা হয়?
(ক) কার্পাস | (খ) পাট | (গ) শিমুল | (ঘ) নারকেল।
উত্তর: (খ) পাট।

🔷 ৭. ম্যালেরিয়ার ওষুধ কুইনাইন পাওয়া যায় কোন গাছ থেকে?
(ক) তুলসী | (খ) সিঙ্কোনা | (গ) সর্পগন্ধা | (ঘ) বাসক।
উত্তর: (খ) সিঙ্কোনা।

🔷 ৮. আসবাবপত্র পালিশ করার জন্য পাইন বা শাল গাছ থেকে প্রাপ্ত কোন পদার্থ লাগে?
(ক) আঠা | (খ) রজন | (গ) ক্ষীর | (ঘ) তন্তু।
উত্তর: (খ) রজন।

🔷 ৯. রবার তৈরি করা হয় গাছের কোন অংশ থেকে?
(ক) ফল | (খ) পাতা | (গ) বর্জ্য পদার্থ বা ক্ষীর | (ঘ) মূল।
উত্তর: (গ) বর্জ্য পদার্থ বা ক্ষীর।

🔷 ১০. উদ্ভিদের পরাগমিলনে সাহায্য করে এমন একটি প্রাণী হলো—
(ক) বাঘ | (খ) প্রজাপতি | (গ) সাপ | (ঘ) মাছ।
উত্তর: (খ) প্রজাপতি।

🔷 ১১. পরাগমিলনের ফলে উদ্ভিদের কী তৈরি হয়?

(ক) রজন | (খ) নতুন উদ্ভিদ তৈরির বীজ | (গ) আঠা | (ঘ) তন্তু।
উত্তর: (খ) নতুন উদ্ভিদ তৈরির বীজ।

🔷 ১২. বাদুড় কোন উদ্ভিদের ফল খেয়ে তার বীজের বিস্তারে সাহায্য করে?
(ক) আম | (খ) লিচু | (গ) কলা | (ঘ) জাম।
উত্তর: (গ) কলা।

🔷 ১৩. অ্যাজোলা (Azolla) আসলে কী?
(ক) এক ধরণের ফুল | (খ) এক ধরণের পানা | (গ) এক ধরণের পোকা | (ঘ) এক ধরণের মূল।
উত্তর: (খ) এক ধরণের পানা।

🔷 ১৪. অ্যাজোলার পাতায় কোন অণুজীব বাস করে যা নাইট্রোজেন ধরে রাখতে পারে?
(ক) ছত্রাক | (খ) ব্যাকটেরিয়া | (গ) ভাইরাস | (ঘ) ইস্ট।
উত্তর: (খ) ব্যাকটেরিয়া।

🔷 ১৫. সাগরকুসুমের সঙ্গে কোন মাছের মিথোজীবিতা দেখা যায়?
(ক) হাঙ্গর | (খ) ক্লাউন মাছ | (গ) কাতলা | (ঘ) তিমি।
উত্তর: (খ) ক্লাউন মাছ।

🔷 ১৬. পিঁপড়েরা কোন পোকার বর্জ্য বা “হানডিউ” খাওয়ার জন্য তাদের লালন-পালন করে?

(ক) মৌমাছি | (খ) জাব পোকা | (গ) মশা | (ঘ) মাছি।
উত্তর: (খ) জাব পোকা।

🔷 ১৭. যে সব প্রাণী অন্য প্রাণীদের ওপর খাবারের জন্য সরাসরি নির্ভর করে তাদের কী বলে?
(ক) তৃণভোজী | (খ) মাংসাশী বা খাদক | (গ) উৎপাদক | (ঘ) পরজীবী।
উত্তর: (খ) মাংসাশী বা খাদক।

🔷 ১৮. মানুষের মাথায় বাস করে রক্ত শোষণ করা পরজীবীটির নাম কী?
(ক) স্বর্ণলতা | (খ) উকুন | (গ) যক্ষ্মার জীবাণু | (ঘ) মশা।
উত্তর: (খ) উকুন।

🔷 ১৯. স্বর্ণলতা উদ্ভিদটি আসলে কী ধরণের জীব?
(ক) মিথোজীবী | (খ) পরজীবী | (গ) খাদক | (ঘ) উৎপাদক।
উত্তর: (খ) পরজীবী।

🔷 ২০. আমাশয়ের জীবাণু মানুষের শরীরের কোথায় বাসা বাঁধে?
(ক) ফুসফুসে | (খ) যকৃতে | (গ) অন্ত্রে | (ঘ) হাড়ের সন্ধিতে।
উত্তর: (গ) অন্ত্রে।

🔷 ২১. মৌলিরা মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহের জন্য কী ব্যবহার করেন?

(ক) জল | (খ) বিষ | (গ) ধোঁয়া | (ঘ) জাল।
উত্তর: (গ) ধোঁয়া।

🔷 ২২. রেশম বা সিল্ক পাওয়া যায় কোন মথ থেকে?
(ক) প্রজাপতি | (খ) রেশম মথ | (গ) উইপোকা | (ঘ) ফড়িং।
উত্তর: (খ) রেশম মথ।

🔷 ২৩. কর্ড বা হাঙ্গরের মতো সামুদ্রিক মাছের যকৃতের তেলে কোন কোন ভিটামিন থাকে?
(ক) B ও C | (খ) A ও D | (গ) E ও K | (ঘ) B ও D।
উত্তর: (খ) A ও D।

🔷 ২৪. ভিটামিন A আমাদের দেহের কোন অংশ ভালো রাখতে সাহায্য করে?
(ক) হাড় | (খ) দাঁত | (গ) চোখ | (ঘ) নখ।
উত্তর: (গ) চোখ।

🔷 ২৫. পরিবেশের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এমন একটি “ঝাড়ুদার” পাখি হলো—
(ক) টিয়া | (খ) কাক | (গ) পায়রা | (ঘ) কোকিল।
উত্তর: (খ) কাক।

🔷 ২৬. চাষের কাজে লাঙল টানার জন্য প্রাচীনকাল থেকে কোন প্রাণীকে ব্যবহার করা হতো?

(ক) ঘোড়া | (খ) বলদ | (গ) কুকুর | (ঘ) হরিণ।
উত্তর: (খ) বলদ।

🔷 ২৭. দুধ থেকে দই তৈরিতে সাহায্য করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
(ক) ইস্ট | (খ) ল্যাকটোব্যাসিলাস | (গ) স্ট্রেপটোমাইসেস | (ঘ) রাইজোবিয়াম।
উত্তর: (খ) ল্যাকটোব্যাসিলাস।

🔷 ২৮. পাউরুটি তৈরি করতে ময়দা বা আটার মিশ্রণে কী মেশানো হয়?
(ক) ব্যাকটেরিয়া | (খ) ইস্ট বা এককোষী ছত্রাক | (গ) কুইনাইন | (ঘ) রজন।
উত্তর: (খ) ইস্ট বা এককোষী ছত্রাক।

🔷 ২৯. পাউরুটির গায়ের ফুটো ফুটো অংশগুলো কীসের প্রভাবে তৈরি হয়?
(ক) অক্সিজেন | (খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড | (গ) নাইট্রোজেন | (ঘ) জলীয় বাষ্প।
উত্তর: (খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড।

🔷 ৩০. স্ট্রেপটোমাইসেস (Streptomyces) হলো এক ধরণের—
(ক) এককোষী ছত্রাক | (খ) ব্যাকটেরিয়া | (গ) ভাইরাস | (ঘ) পরজীবী।
উত্তর: (খ) ব্যাকটেরিয়া।

️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর(প্রশ্নের মান-১):

🔷 ১. ভুট্টার কোন অংশ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি?
উত্তর: ভুট্টার বীজ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি।

🔷 ২. কুমড়ো গাছের কোন কোন অংশ খাওয়া যায়?
উত্তর: কুমড়ো গাছের ফল ও ফুল উভয়ই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

🔷 ৩. সজনে গাছের কোন অংশ আমরা সবজি হিসেবে খাই?
উত্তর: সজনে গাছের ফল (যা ডাঁটা নামে পরিচিত) আমরা খাই।

🔷 ৪. কাঠবিড়ালি বা ইঁদুর কীভাবে গাছের ওপর খাদ্যের জন্য নির্ভর করে?
উত্তর: কাঠবিড়ালি বা ইঁদুর গাছের ফল ও দানা খেয়ে বেঁচে থাকে।

🔷 ৫. সুতির কাপড় তৈরির মূল উপাদান তন্তু কোথা থেকে পাওয়া যায়?
উত্তর: সুতির কাপড় তৈরির তন্তু কার্পাস তুলো গাছ থেকে পাওয়া যায়।

🔷 ৬. দড়ি তৈরির জন্য কোন উদ্ভিদের তন্তু ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: দড়ি তৈরির জন্য নারকেলের ছোবড়ার তন্তু বা পাটের তন্তু ব্যবহৃত হয়।

🔷 ৭. গাছের কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় এমন দুটি জিনিসের নাম লেখো।
উত্তর: গাছের কাঠ দিয়ে জানালার ফ্রেম এবং ঘরের আসবাবপত্র তৈরি করা হয়।

🔷 ৮. বই তৈরির কাগজ উদ্ভিদের কোন অংশ থেকে তৈরি হয়?
উত্তর: উদ্ভিদের কাঠ বা ঘাসের তন্তু থেকে বই তৈরির কাগজ তৈরি করা হয়।

🔷 ৯. গঁদের আঠা গাছ থেকে পাওয়া কী ধরণের পদার্থ?
উত্তর: গঁদের আঠা হলো গাছের এক ধরণের বর্জ্য পদার্থ।

🔷 ১০. সর্দি-কাশি সারাতে কোন কোন ভেষজ উদ্ভিদের ব্যবহার দেখা যায়?
উত্তর: সর্দি-কাশি সারাতে তুলসী ও বাসক পাতার রস ব্যবহৃত হয়।

🔷 ১১. পরাগমিলন কাকে বলে?
উত্তর: এক ফুল থেকে অন্য ফুলে পরাগরেণু স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে পরাগমিলন বলে।

🔷 ১২. ফুলের মধু খেতে আসা প্রজাপতির পায়ে কী লেগে যায়?
উত্তর: ফুলের মধু খেতে আসা প্রজাপতির পায়ে ও গায়ে ফুলের পরাগরেণু লেগে যায়।

🔷 ১৩. মৌটুসি পাখি কীভাবে ফুলের বংশবিস্তারে সাহায্য করে?
উত্তর: মৌটুসি পাখি ফুলের মধু খাওয়ার সময় এক ফুলের রেণু অন্য ফুলে স্থানান্তরের মাধ্যমে পরাগমিলনে সাহায্য করে।

🔷 ১৪. প্রাণীরা ফল খেয়ে দূরে মলত্যাগ করলে উদ্ভিদের কী সুবিধা হয়?
উত্তর: এর ফলে ফলের বীজ দূরে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেখানে নতুন চারাগাছ জন্মায়।

🔷 ১৫. ধানক্ষেতে কেন এখন আর আলাদা করে সার দিতে লাগে না?
উত্তর: ধানক্ষেতে অ্যাজোলা পানার চাষ করলে তাতে থাকা ব্যাকটেরিয়া নাইট্রোজেন ধরে রাখে, যা সারের কাজ করে।

🔷 ১৬. মিথোজীবিতা বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যখন দুটি জীব একে অপরকে সাহায্য করে বেঁচে থাকে, তখন তাদের সেই সম্পর্ককে মিথোজীবিতা বলে।

🔷 ১৭. সন্ন্যাসী কাঁকড়া ও সাগরকুসুমের মধ্যে সম্পর্কটি কী?
উত্তর: সন্ন্যাসী কাঁকড়া সাগরকুসুমকে পিঠে বয়ে নিয়ে বেড়ায় এবং তার ফেলে দেওয়া খাবারের ভাগ পায়।

🔷 ১৮. ‘হানডিউ’ (Honeydew) কী?
উত্তর: জাব পোকা গাছের রস খাওয়ার পর যে শর্করা-সমৃদ্ধ বর্জ্য ত্যাগ করে তাকে হানডিউ বলে।

🔷 ১৯. পিঁপড়েরা কেন জাব পোকাদের লালন-পালন করে?
উত্তর: জাব পোকাদের শরীর থেকে নিসৃত মিষ্টি রস বা ‘হানডিউ’ খাওয়ার জন্য পিঁপড়েরা তাদের পালন করে।

🔷 ২০. শালিক পাখি কীভাবে গণ্ডারকে সাহায্য করে?
উত্তর: শালিক গণ্ডারের পিঠে বসে তার গায়ের পোকা খেয়ে গণ্ডারকে স্বস্তি দেয়।

🔷 ২১. খাদক বা মাংসাশী প্রাণী কাদের বলা হয়?
উত্তর: যেসব প্রাণী খাদ্যের জন্য অন্য প্রাণীদের ওপর সরাসরি নির্ভর করে তাদের খাদক বা মাংসাশী বলে।

🔷 ২২. পরজীবী জীব কাকে বলা হয়?
উত্তর: যেসব জীব অন্য কোনো প্রাণীর দেহে থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তার ক্ষতি করে, তাদের পরজীবী বলে।

🔷 ২৩. ফিতাকৃমি মানুষের শরীরের কোথায় বাস করে?
উত্তর: ফিতাকৃমি মানুষের পাকস্থলী, অন্ত্র, পেশি বা যকৃতে বাসা বাঁধে।

🔷 ২৪. যক্ষ্মার জীবাণু মানুষের শরীরের কোন কোন অঙ্গে ক্ষতি করে?
উত্তর: যক্ষ্মার জীবাণু সাধারণত মানুষের ফুসফুস, হাড় এবং অন্যান্য অঙ্গে ক্ষতি করে।

🔷 ২৫. মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহের জন্য মৌলিরা কী কৌশল ব্যবহার করেন?
উত্তর: মৌলিরা মৌচাকে ধোঁয়া দিয়ে মৌমাছিদের তাড়িয়ে মধু সংগ্রহ করেন।

🔷 ২৬. কড বা হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেল আমাদের কী উপকার করে?
উত্তর: এই তেল আমাদের চোখ, হাড় ও দাঁত ভালো রাখতে সাহায্য করে।

🔷 ২৭. শুকুন বা কাককে কেন পরিবেশের বন্ধু বলা হয়?
উত্তর: এরা চারপাশের মরা পচা জিনিস বা নোংরা আবর্জনা খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে।

🔷 ২৮. ঘোড়া বা গাধাকে মানুষ কী কাজে ব্যবহার করে?
উত্তর: মানুষ ঘোড়া বা গাধাকে প্রধানত ভারবহন এবং যাতায়াতের কাজে ব্যবহার করে।

🔷 ২৯. পাউরুটি তৈরির ময়দার মিশ্রণটি কেন ফেঁপে ওঠে?
উত্তর: ময়দার মিশ্রণে থাকা শর্করাকে ইস্ট ভেঙে ফেলে কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে, যার ফলে মিশ্রণটি ফেঁপে ওঠে।

🔷 ৩০. স্ট্রেপটোমাইসেস নামক ব্যাকটেরিয়া আমাদের কী উপকারে লাগে?
উত্তর: স্ট্রেপটোমাইসেস থেকে পাওয়া বিভিন্ন উপাদান দিয়ে মানুষের শরীরের রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুদের মারার ওষুধ তৈরি হয়।

️সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২/৩):

🔷 ১. পরিবেশে অক্সিজেনের জোগান বজায় রাখতে গাছ কীভাবে ভূমিকা রাখে?
উত্তর: প্রাণীরা শ্বাস ছাড়ার সময় যে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে, গাছেরা নিজেদের খাবার তৈরির সময় তা গ্রহণ করে। পরিবর্তে গাছেরা পরিবেশে অক্সিজেন ত্যাগ করে যা আমাদের শ্বাসকার্যের জন্য অপরিহার্য।

🔷 ২. পাখিরা কীভাবে পরাগমিলনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে?
উত্তর: মৌটুসি বা হামিংবার্ডের মতো পাখিরা যখন ফুলের মধু খেতে আসে, তখন তাদের দেহে ও ঠোঁটে পরাগরেণু লেগে যায়। পরে অন্য ফুলে বসলে সেই পরাগরেণু স্থানান্তরের মাধ্যমে পরাগমিলন ঘটে।

🔷 ৩. চোরকাঁটা জাতীয় ফলের বীজ কীভাবে প্রাণীদের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে?
উত্তর: এই ধরণের ফলে সূক্ষ্ম হুকের মতো কাঁটা থাকে যা প্রাণীদের রোমশ গায়ে বা মানুষের পোশাকে আটকে যায়। এভাবে বীজগুলো প্রাণীদের সঙ্গে দূরদূরান্তে ছড়িয়ে পড়ে।

🔷 ৪. সাগরকুসুম ও ক্লাউন মাছের মিথোজীবিতা সম্পর্কে লেখো।
উত্তর: ক্লাউন মাছ সাগরকুসুমের বিষাক্ত শুঁড়ের আড়ালে থেকে শত্রুর হাত থেকে নিরাপত্তা পায়। পরিবর্তে ক্লাউন মাছ সাগরকুসুমকে আক্রমণকারী ছোট মাছ তাড়িয়ে দেয়।

🔷 ৫. গণ্ডার ও গো-বকের মিথোজীবিতা কীভাবে কাজ করে?
উত্তর: গণ্ডারের শরীরে থাকা অ্যাটুলি পোকা গো-বক বা শালিক পাখি খেয়ে নেয়। এতে পাখির খাদ্য জোগাড় হয় এবং গণ্ডারও পোকার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়।

🔷 ৬. খাদক বা মাংসাশী প্রাণী কাদের বলা হয়?
উত্তর: যেসব প্রাণী খাদ্যের জন্য অন্য প্রাণীদের শিকার করে খায়, তাদের খাদক বা মাংসাশী বলা হয়। বাঘ, সাপ ও শেয়াল এই ধরণের প্রাণীর উদাহরণ।

🔷 ৭. যক্ষ্মার জীবাণু মানুষের শরীরে বাসা বাঁধলে কী কী সমস্যা হয়?
উত্তর: যক্ষ্মার জীবাণু সাধারণত ফুসফুস, হাড় ও শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্ষতি করে। এর ফলে জ্বর, দীর্ঘস্থায়ী কাশি ও ওজন কমে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা যায়।

🔷 ৮. পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে শুকুন কীভাবে সাহায্য করে?
উত্তর: শুকুন মরা ও পচা প্রাণীর দেহাবশেষ খেয়ে পরিবেশ পরিষ্কার রাখে। এর ফলে ক্ষতিকারক জীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

🔷 ৯. পাউরুটি তৈরির সময় ময়দার তালটি কেন ফুটো ফুটো হয়ে যায়?
উত্তর: ইস্ট শর্করাকে ভেঙে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি করে, যা ময়দার তাল ফুলিয়ে তোলে। পরে গ্যাস বেরিয়ে গেলে রুটির ভেতরে ছোট ছোট ফুটোর সৃষ্টি হয়।

🔷 ১০. অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরিতে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা কী?
উত্তর: স্ট্রেপটোমাইসেস ব্যাকটেরিয়া থেকে পাওয়া উপাদান দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি করা হয়। এই ওষুধগুলো মানুষের শরীরের ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

🔷 ১১. ঘর সাজানোর কাজে উদ্ভিদের কাঠ কীভাবে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: উদ্ভিদের কাঠ দিয়ে আমরা নানারকম শৌখিন আসবাবপত্র বা ঘর সাজানোর সরঞ্জাম তৈরি করি। এছাড়া অনেক আগে থেকেই জাহাজের পাটাতন তৈরিতেও মজবুত কাঠের ব্যবহার হয়ে আসছে।

🔷 ১২. গঁদের আঠা (Gum) কীভাবে পাওয়া যায় এবং এর ব্যবহার কী?
উত্তর: বাবলা বা এই জাতীয় কিছু উদ্ভিদের দেহ থেকে নিঃসৃত আঠা সংগ্রহ করে গঁদ তৈরি করা হয়। এই প্রাকৃতিক আঠা মূলত বই বা খাতা বাঁধাই করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

🔷 ১৩. শিমুল বা কার্পাস গাছ থেকে পাওয়া তন্তু আমাদের কী উপকারে লাগে?
উত্তর: এই সব গাছ থেকে আমরা প্রাকৃতিক তুলো পাই যা দিয়ে বালিশ বা তোশক তৈরি করা হয়। এছাড়া এই তন্তু থেকে সুতো তৈরি করে আরামদায়ক পোশাকও প্রস্তুত করা যায়।

🔷 ১৪. ফলের উজ্জ্বল রং কীভাবে উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে?
উত্তর: ফলের উজ্জ্বল রং দেখে পশু-পাখিরা আকৃষ্ট হয় এবং খাবারের লোভে তারা ফলের কাছে আসে। এর ফলে পশু-পাখিরা ফল খেয়ে বীজগুলো দূরে দূরে ছড়িয়ে দেয়।

🔷 ১৫. ফিতাকৃমি মানুষের শরীরে কী কী যন্ত্রণাদায়ক উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে?
উত্তর: ফিতাকৃমি মানুষের অন্ত্র বা পেশিতে বাস করে শরীরকে দুর্বল করে দেয়। এর প্রভাবে অনেক সময় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে।

🔷 ১৬. সিল্ক বা রেশম তন্তু কীভাবে তৈরি হয়?
উত্তর: রেশম মথের দেহ থেকে এক ধরণের গুটি বা কোকুন তৈরি হয় যেখান থেকে রেশম তন্তু পাওয়া যায়। এই তন্তু দিয়ে দামী ও সুন্দর পোশাক তৈরি করা হয়।

🔷 ১৭. কড বা হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে থাকা ভিটামিন D আমাদের কী উপকার করে?
উত্তর: এই তেলে থাকা ভিটামিন D আমাদের হাড় ও দাঁত মজবুত করতে সাহায্য করে। এটি শরীরের সঠিক বৃদ্ধি ও শক্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয়।

🔷 ১৮. পরিবেশে গ্যাসের ভারসাম্য রক্ষায় সালোকসংশ্লেষের ভূমিকা কী?
উত্তর: গাছেরা সালোকসংশ্লেষের সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এর ফলে পরিবেশে গ্যাসের ভারসাম্য বজায় থাকে।

🔷 ১৯. প্রাচীনকালে যাতায়াত ও পণ্য বহনে গোরুর গাড়ি কীভাবে ব্যবহৃত হতো?
উত্তর: প্রাচীনকালে মানুষ গোরুর গাড়িতে করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করত। এছাড়া খেত থেকে ফসল বা সবজি বাজারে পৌঁছে দেওয়ার কাজেও গোরুর গাড়ি ব্যবহৃত হতো।

🔷 ২০. দই তৈরির সময় ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের কী পরিবর্তন ঘটায়?
উত্তর: ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধে অ্যাসিড তৈরি করে দুধকে দইয়ে পরিণত করে। এই অ্যাসিডের প্রভাবে দুধের প্রোটিন জমে দই তৈরি হয়।


👉Our WhatsApp Channel:লেখাপড়া Online.

<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>>>>>

👉For pdf whatsapp-8250978714



Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.